ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের ৫ জন

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 10

গ্যাসলাইন বিস্ফোরণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।

রবিবার (১০ মে) ভোরে উত্তর ভূইগর গিরিধারা এলাকার একটি আটতলা ভবনের নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের প্রত্যেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

ফতুল্লার উত্তর ভূইগর এলাকার বাসিন্দা ও সবজি বিক্রেতা মো. কালামের ফ্ল্যাটে আজ ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, রান্নাঘরের গ্যাস লাইনে লিকেজ থাকায় বদ্ধ কক্ষে আগে থেকেই গ্যাস জমে ছিল।

ভোরে কালাম সিগারেট জ্বালানোর জন্য লাইটার ব্যবহার করতেই জমে থাকা গ্যাসে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এই গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে কালামসহ তার স্ত্রী ও তিন সন্তান মারাত্মকভাবে আহত হন।

বিস্ফোরণের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকায় পাঠায়। দগ্ধরা হলেন—মো. কালাম (৪৫), তার স্ত্রী সায়মা (৪০), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৭)। চিকিৎসকদের মতে, কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ এবং তার স্ত্রীর ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

শিশুদের অবস্থাও অত্যন্ত সংকটাপন্ন। মূলত বদ্ধ ঘরে গ্যাস জমে থাকাই এই গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার মূল কারণ বলে মনে করছে ফায়ার সার্ভিস।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, লিকেজ থেকে গ্যাস জমে কক্ষটি একটি গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছিল।

সাধারণ আগুনের তুলনায় এমন বিস্ফোরণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয়। বর্তমানে ভবনটির ওই ফ্ল্যাটটি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, আবাসিক এলাকায় নিয়মিত গ্যাসলাইন পরীক্ষা না করা এবং অসাবধানতা এমন গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার ঘটনা বারবার ত্বরান্বিত করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নারায়ণগঞ্জে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের ৫ জন

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।

রবিবার (১০ মে) ভোরে উত্তর ভূইগর গিরিধারা এলাকার একটি আটতলা ভবনের নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের প্রত্যেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

ফতুল্লার উত্তর ভূইগর এলাকার বাসিন্দা ও সবজি বিক্রেতা মো. কালামের ফ্ল্যাটে আজ ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, রান্নাঘরের গ্যাস লাইনে লিকেজ থাকায় বদ্ধ কক্ষে আগে থেকেই গ্যাস জমে ছিল।

ভোরে কালাম সিগারেট জ্বালানোর জন্য লাইটার ব্যবহার করতেই জমে থাকা গ্যাসে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এই গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে কালামসহ তার স্ত্রী ও তিন সন্তান মারাত্মকভাবে আহত হন।

বিস্ফোরণের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকায় পাঠায়। দগ্ধরা হলেন—মো. কালাম (৪৫), তার স্ত্রী সায়মা (৪০), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৭)। চিকিৎসকদের মতে, কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ এবং তার স্ত্রীর ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

শিশুদের অবস্থাও অত্যন্ত সংকটাপন্ন। মূলত বদ্ধ ঘরে গ্যাস জমে থাকাই এই গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার মূল কারণ বলে মনে করছে ফায়ার সার্ভিস।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, লিকেজ থেকে গ্যাস জমে কক্ষটি একটি গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছিল।

সাধারণ আগুনের তুলনায় এমন বিস্ফোরণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয়। বর্তমানে ভবনটির ওই ফ্ল্যাটটি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, আবাসিক এলাকায় নিয়মিত গ্যাসলাইন পরীক্ষা না করা এবং অসাবধানতা এমন গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার ঘটনা বারবার ত্বরান্বিত করছে।