ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেহরানে এক রাতে ৯ ভূমিকম্প, উদ্বেগ বাড়ছে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 21

ইরানের রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলে এক রাতেই ৯টি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বুধবার রাতে পারদিস এলাকায় এসব কম্পন রেকর্ড করা হয়। ভূমিকম্পগুলো মোশা ফল্টের কাছাকাছি অঞ্চলে ঘটে, যা দেশটির অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফল্ট লাইনটি রাজধানী তেহরান থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। একই রাতে একাধিক কম্পন হওয়া স্বাভাবিক নয় বলেও তারা মন্তব্য করেছেন।

একটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৬। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কম্পন ভূগর্ভস্থ শক্তি নির্গমনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, নাকি বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস—তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

তেহরানের ঝুঁকি শুধু ভূতাত্ত্বিক কারণেই নয়, বরং ঘনবসতি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দুর্বল অবকাঠামো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষের বসবাস থাকা এই শহরে ছোট কম্পনও বড় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের সতর্কতা অনুযায়ী, শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে তেহরানে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে। অতীতেও ২০০৩ সালের বাম ভূমিকম্পে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছিল, যার ক্ষত এখনো মনে রয়েছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তেহরানে এক রাতে ৯ ভূমিকম্প, উদ্বেগ বাড়ছে

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ইরানের রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলে এক রাতেই ৯টি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বুধবার রাতে পারদিস এলাকায় এসব কম্পন রেকর্ড করা হয়। ভূমিকম্পগুলো মোশা ফল্টের কাছাকাছি অঞ্চলে ঘটে, যা দেশটির অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফল্ট লাইনটি রাজধানী তেহরান থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। একই রাতে একাধিক কম্পন হওয়া স্বাভাবিক নয় বলেও তারা মন্তব্য করেছেন।

একটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৬। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কম্পন ভূগর্ভস্থ শক্তি নির্গমনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, নাকি বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস—তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

তেহরানের ঝুঁকি শুধু ভূতাত্ত্বিক কারণেই নয়, বরং ঘনবসতি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দুর্বল অবকাঠামো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষের বসবাস থাকা এই শহরে ছোট কম্পনও বড় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের সতর্কতা অনুযায়ী, শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে তেহরানে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে। অতীতেও ২০০৩ সালের বাম ভূমিকম্পে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছিল, যার ক্ষত এখনো মনে রয়েছে।