ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রণধীর জয়সওয়াল

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য নেই

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 6

রণধীর জয়সওয়াল

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আপাতত নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে জানানোর মতো নতুন কোনো তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও কথা বলেন জয়সওয়াল। তিনি জানান, ওই চুক্তি ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এ সংক্রান্ত বিষয়গুলো যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা করা হয়।

গঙ্গা পানি চুক্তির আওতায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন হয়ে থাকে। ৩০ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় চলতি বছরের ডিসেম্বরে চুক্তিটি পর্যালোচনার কথা রয়েছে।

তবে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি বা নতুন তথ্য শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে জানাননি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রণধীর জয়সওয়াল

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য নেই

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আপাতত নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে জানানোর মতো নতুন কোনো তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও কথা বলেন জয়সওয়াল। তিনি জানান, ওই চুক্তি ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এ সংক্রান্ত বিষয়গুলো যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা করা হয়।

গঙ্গা পানি চুক্তির আওতায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন হয়ে থাকে। ৩০ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় চলতি বছরের ডিসেম্বরে চুক্তিটি পর্যালোচনার কথা রয়েছে।

তবে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি বা নতুন তথ্য শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে জানাননি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।