ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের শান্তি প্রস্তাবে ইরানের সমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / 9

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে চীনের উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে এই উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্দোলরেজা রাহমানি ফাজলি এক বিবৃতিতে বলেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক সমাধানকেই গুরুত্ব দিচ্ছে ইরান। তার মতে, চীনের প্রস্তাব শুধু নিরাপত্তা নয়, বরং যৌথ উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে।

সম্প্রতি ইরান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। উভয় দেশই মনে করছে, সংঘাত ও সামরিক উত্তেজনার বদলে সংলাপ ও পারস্পরিক সম্মানের মাধ্যমেই সংকট সমাধান সম্ভব।

এর আগে বেইজিংয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চার দফা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি, তবে এতে যুদ্ধবিরতি, আঞ্চলিক সংলাপ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বহিরাগত হস্তক্ষেপ কমানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীনের এই কূটনৈতিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন গুরুত্ব পাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে বেইজিং এখন আরও সক্রিয় অবস্থান নিচ্ছে বলেও মনে করছেন তারা।

এদিকে পর্যবেক্ষকদের মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিশ্বশক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার বদলে সমঝোতাভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য কূটনৈতিক সমাধানের বিকল্প নেই।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চীনের শান্তি প্রস্তাবে ইরানের সমর্থন

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে চীনের উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে এই উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্দোলরেজা রাহমানি ফাজলি এক বিবৃতিতে বলেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক সমাধানকেই গুরুত্ব দিচ্ছে ইরান। তার মতে, চীনের প্রস্তাব শুধু নিরাপত্তা নয়, বরং যৌথ উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে।

সম্প্রতি ইরান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। উভয় দেশই মনে করছে, সংঘাত ও সামরিক উত্তেজনার বদলে সংলাপ ও পারস্পরিক সম্মানের মাধ্যমেই সংকট সমাধান সম্ভব।

এর আগে বেইজিংয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চার দফা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি, তবে এতে যুদ্ধবিরতি, আঞ্চলিক সংলাপ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বহিরাগত হস্তক্ষেপ কমানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীনের এই কূটনৈতিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন গুরুত্ব পাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে বেইজিং এখন আরও সক্রিয় অবস্থান নিচ্ছে বলেও মনে করছেন তারা।

এদিকে পর্যবেক্ষকদের মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিশ্বশক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার বদলে সমঝোতাভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য কূটনৈতিক সমাধানের বিকল্প নেই।