ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এআই নজরদারিতে ট্রাফিক আইন ভাঙায় ৩০০ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / 6

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন ভাঙার বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্যামেরার মাধ্যমে গত এক সপ্তাহেই তিন শতাধিক ডিজিটাল মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার।

সোমবার রাজধানীর উত্তরায় এয়ারপোর্ট সড়কে নতুন ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট উদ্বোধনের পর তিনি বলেন, পুরো ব্যবস্থা চালু হলে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি মামলা হতে পারে।

ডিএমপি কমিশনার জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো যানবাহন সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচল কিংবা স্টপ লাইন অতিক্রম করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিজিটাল মামলা হবে। অভিযুক্ত চালক বা মালিক ভিডিও ফুটেজে নিজের অপরাধও দেখতে পারবেন।

বর্তমানে রাজধানীর আটটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও প্রায় ৩০টি স্থানে এআই ক্যামেরা ও স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম বসানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিসি ক্যামেরা ও ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মামলার নোটিশ সরাসরি গাড়ির মালিকের ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে। জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

পুলিশ জানিয়েছে, নোটিশ পাওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হাজির না হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হতে পারে।

একই সঙ্গে সিসি ক্যামেরার মামলার নামে কোনো প্রতারণার ফাঁদে না পড়তে নগরবাসীকে সতর্ক করেছে ডিএমপি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এআই নজরদারিতে ট্রাফিক আইন ভাঙায় ৩০০ মামলা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন ভাঙার বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্যামেরার মাধ্যমে গত এক সপ্তাহেই তিন শতাধিক ডিজিটাল মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার।

সোমবার রাজধানীর উত্তরায় এয়ারপোর্ট সড়কে নতুন ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট উদ্বোধনের পর তিনি বলেন, পুরো ব্যবস্থা চালু হলে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি মামলা হতে পারে।

ডিএমপি কমিশনার জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো যানবাহন সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচল কিংবা স্টপ লাইন অতিক্রম করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিজিটাল মামলা হবে। অভিযুক্ত চালক বা মালিক ভিডিও ফুটেজে নিজের অপরাধও দেখতে পারবেন।

বর্তমানে রাজধানীর আটটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও প্রায় ৩০টি স্থানে এআই ক্যামেরা ও স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম বসানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিসি ক্যামেরা ও ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মামলার নোটিশ সরাসরি গাড়ির মালিকের ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে। জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

পুলিশ জানিয়েছে, নোটিশ পাওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হাজির না হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হতে পারে।

একই সঙ্গে সিসি ক্যামেরার মামলার নামে কোনো প্রতারণার ফাঁদে না পড়তে নগরবাসীকে সতর্ক করেছে ডিএমপি।