ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে ৯ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, তীব্র লোডশেডিং

নিজস্ব প্রতিবদেক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 13

চট্টগ্রামে এখন ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। এ তাপমাত্রায় বাইরে থাকা যেমন কষ্টকর, বাসায় থাকাও দায় হয়ে পড়েছে। লোডশেডিংয়ে নগরজীবন অতিষ্ঠ। বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক বাসা-বাড়িতে ওয়াসার পানিও সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মধ্যে ৯টি এখন বন্ধ।

বুধবার (২২ এপ্রিল) নগরের বাকলিয়া এলাকায় লোডশেডিং হয়েছে ৫ থেকে ৬ বার। এ সময় এক থেকে আধঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের। শুধু বাকলিয়া নয়, নগরের প্রায় সব এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছিল ৫৪ মেগাওয়াট। কিন্তু এর ঠিক ১১ দিনের মাথায় ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন লোডশেডিং দাঁড়ায় ২৮২ মেগাওয়াটে। অল্প সময়ের মধ্যে লোডশেডিংয়ের তীব্রতা বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ২২ গুণ। অবশ্য সে সময় চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদনও ছিল কম। গত ৪ এপ্রিল সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৩ হাজার ৪০৮ মেগাওয়াট, ১৪ এপ্রিলে উৎপাদন নেমে আসে মাত্র ১ হাজার ৪৭০ মেগাওয়াটে, যা অর্ধেকেরও কম। গত ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয় ১ হাজার ৩৩৮ মেগাওয়াট, লোডশেডিং ১৪৮ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রায় প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার ৫০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কম পাচ্ছি। তাই বাধ্য হয়েই করতে হচ্ছে লোডশেডিং। চট্টগ্রামের কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন হওয়া বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। তা সরাসরি চট্টগ্রামে ব্যবহারের সুযোগ নেই। জাতীয় গ্রিড থেকে যা বিতরণ করা হয় সেটিই পায় চট্টগ্রামের বাসিন্দারা’।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চট্টগ্রামে ৯ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, তীব্র লোডশেডিং

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামে এখন ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। এ তাপমাত্রায় বাইরে থাকা যেমন কষ্টকর, বাসায় থাকাও দায় হয়ে পড়েছে। লোডশেডিংয়ে নগরজীবন অতিষ্ঠ। বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক বাসা-বাড়িতে ওয়াসার পানিও সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মধ্যে ৯টি এখন বন্ধ।

বুধবার (২২ এপ্রিল) নগরের বাকলিয়া এলাকায় লোডশেডিং হয়েছে ৫ থেকে ৬ বার। এ সময় এক থেকে আধঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের। শুধু বাকলিয়া নয়, নগরের প্রায় সব এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছিল ৫৪ মেগাওয়াট। কিন্তু এর ঠিক ১১ দিনের মাথায় ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন লোডশেডিং দাঁড়ায় ২৮২ মেগাওয়াটে। অল্প সময়ের মধ্যে লোডশেডিংয়ের তীব্রতা বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ২২ গুণ। অবশ্য সে সময় চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদনও ছিল কম। গত ৪ এপ্রিল সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৩ হাজার ৪০৮ মেগাওয়াট, ১৪ এপ্রিলে উৎপাদন নেমে আসে মাত্র ১ হাজার ৪৭০ মেগাওয়াটে, যা অর্ধেকেরও কম। গত ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয় ১ হাজার ৩৩৮ মেগাওয়াট, লোডশেডিং ১৪৮ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রায় প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার ৫০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কম পাচ্ছি। তাই বাধ্য হয়েই করতে হচ্ছে লোডশেডিং। চট্টগ্রামের কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন হওয়া বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। তা সরাসরি চট্টগ্রামে ব্যবহারের সুযোগ নেই। জাতীয় গ্রিড থেকে যা বিতরণ করা হয় সেটিই পায় চট্টগ্রামের বাসিন্দারা’।