ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ঝিনাইদহ-৪ এ গণফোরাম প্রার্থীর অফিস ও ব্যানার পোড়ানো

গণফোরামের প্রতিবাদ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 150

গণফোরাম

ঝিনাইদহ-৪ আসনে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী খনিয়া খানম ববি’র নির্বাচনী অফিস গত ০৯ ফেব্রুয়ারি দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দেওয়া এবং তাঁর নির্বাচনী ব্যানার পুড়িয়ে ও ছিঁড়ে ফেলার ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: মিজানুর রহমান।

এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই হামলা একটি পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, যা চলমান নির্বাচনী পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।নির্বাচনী প্রচারণায় এ ধরনের অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। দুর্বৃত্তদের দ্বারা নির্বাচনী অফিসে আগুন দেওয়া এবং প্রচার সামগ্রী ধ্বংস করার মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত থাকে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে বিরোধী প্রার্থীদের নির্বাচন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন আচরণবিধিকে প্রকাশ্যে লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না।

আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি – দুর্বৃত্তদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের জনগণ আগুন ও ভয়ভীতির রাজনীতি নয়, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। নির্বাচন কমিশনের এখনই কার্যকর ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়েই জনগণের সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঝিনাইদহ-৪ এ গণফোরাম প্রার্থীর অফিস ও ব্যানার পোড়ানো

গণফোরামের প্রতিবাদ

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহ-৪ আসনে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী খনিয়া খানম ববি’র নির্বাচনী অফিস গত ০৯ ফেব্রুয়ারি দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দেওয়া এবং তাঁর নির্বাচনী ব্যানার পুড়িয়ে ও ছিঁড়ে ফেলার ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: মিজানুর রহমান।

এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই হামলা একটি পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, যা চলমান নির্বাচনী পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।নির্বাচনী প্রচারণায় এ ধরনের অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। দুর্বৃত্তদের দ্বারা নির্বাচনী অফিসে আগুন দেওয়া এবং প্রচার সামগ্রী ধ্বংস করার মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত থাকে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে বিরোধী প্রার্থীদের নির্বাচন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন আচরণবিধিকে প্রকাশ্যে লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না।

আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি – দুর্বৃত্তদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের জনগণ আগুন ও ভয়ভীতির রাজনীতি নয়, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। নির্বাচন কমিশনের এখনই কার্যকর ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়েই জনগণের সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।