ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অডিও বার্তায় ক্ষমা চাইলেন গজলশিল্পী মেজবাহ

বিনোদান ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • / 221

অডিও বার্তায় ক্ষমা চাইলেন গজলশিল্পী মেজবাহ

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার ও তার ভাই পার্থ মজুমদারকে মেসেঞ্জারে হুমকি দেওয়ার পর এবার অডিও বার্তায় ক্ষমা চেয়েছেন গজলশিল্পী মেজবাহ আহমেদ।

ঘটনাটি প্রথম সামনে আসে যখন পার্থ মজুমদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টি জানান। এতে সংগীতজগতে নিন্দার ঝড় ওঠে এবং অনেকে মেজবাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

পরে শুক্রবার (২০ জুন) মেজবাহকে মগবাজারের একটি স্টুডিওতে ডাকা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। তবে শনিবার (২১ জুন) পার্থ মজুমদারের মেসেঞ্জারে একটি অডিও বার্তা পাঠিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

অডিও বার্তায় মেজবাহ বলেন, “দাদা, যেকোনোভাবে একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। আমি খুবই দুঃখিত ও আত্মগ্লানিতে ভুগছি। আপনার পোস্ট দেখেছি, বন্ধুদের কাছ থেকেও জেনেছি। এটা সত্যিই আমার অন্যায় হয়েছে। দয়া করে এটিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখবেন।”

বাপ্পা মজুমদার ও পার্থ মজুমদার।
বাপ্পা মজুমদার ও পার্থ মজুমদার

পার্থ মজুমদার জানান, “মেজবাহ আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, একজন মানুষ অপরাধ করলে যেভাবে ক্ষমা চায়, ঠিক সেভাবে। আমি মনে মনে তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি, কিন্তু তার বার্তায় কোনো জবাব দিইনি।”

পার্থ বলেন, “তার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ ছিল না বললেই চলে। হঠাৎ একদিন সকাল ৯টার পর ফোন করে আমাকে ঘুম থেকে তুলে বলেন, তিনি আমার বাবার (পণ্ডিত বারীণ মজুমদার) ভক্ত। এরপর কথোপকথনের একপর্যায়ে বলেন, ‘আপনারা তো আপনার বাবা-মায়ের কলঙ্ক।’ এরপর আরও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। আমি তাকে বলি, আপনি কেন এভাবে কথা বলছেন?”

এ বিষয়ে বাপ্পা মজুমদারও জানান, তিনি বড় ভাই পার্থর কাছ থেকেই ঘটনাটি শুনেছেন এবং এতে তিনি বিস্মিত ও মর্মাহত।

ঘটনার পর মেজবাহ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি এবং খুদেবার্তারও কোনো জবাব দেননি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অডিও বার্তায় ক্ষমা চাইলেন গজলশিল্পী মেজবাহ

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার ও তার ভাই পার্থ মজুমদারকে মেসেঞ্জারে হুমকি দেওয়ার পর এবার অডিও বার্তায় ক্ষমা চেয়েছেন গজলশিল্পী মেজবাহ আহমেদ।

ঘটনাটি প্রথম সামনে আসে যখন পার্থ মজুমদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টি জানান। এতে সংগীতজগতে নিন্দার ঝড় ওঠে এবং অনেকে মেজবাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

পরে শুক্রবার (২০ জুন) মেজবাহকে মগবাজারের একটি স্টুডিওতে ডাকা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। তবে শনিবার (২১ জুন) পার্থ মজুমদারের মেসেঞ্জারে একটি অডিও বার্তা পাঠিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

অডিও বার্তায় মেজবাহ বলেন, “দাদা, যেকোনোভাবে একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। আমি খুবই দুঃখিত ও আত্মগ্লানিতে ভুগছি। আপনার পোস্ট দেখেছি, বন্ধুদের কাছ থেকেও জেনেছি। এটা সত্যিই আমার অন্যায় হয়েছে। দয়া করে এটিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখবেন।”

বাপ্পা মজুমদার ও পার্থ মজুমদার।
বাপ্পা মজুমদার ও পার্থ মজুমদার

পার্থ মজুমদার জানান, “মেজবাহ আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, একজন মানুষ অপরাধ করলে যেভাবে ক্ষমা চায়, ঠিক সেভাবে। আমি মনে মনে তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি, কিন্তু তার বার্তায় কোনো জবাব দিইনি।”

পার্থ বলেন, “তার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ ছিল না বললেই চলে। হঠাৎ একদিন সকাল ৯টার পর ফোন করে আমাকে ঘুম থেকে তুলে বলেন, তিনি আমার বাবার (পণ্ডিত বারীণ মজুমদার) ভক্ত। এরপর কথোপকথনের একপর্যায়ে বলেন, ‘আপনারা তো আপনার বাবা-মায়ের কলঙ্ক।’ এরপর আরও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। আমি তাকে বলি, আপনি কেন এভাবে কথা বলছেন?”

এ বিষয়ে বাপ্পা মজুমদারও জানান, তিনি বড় ভাই পার্থর কাছ থেকেই ঘটনাটি শুনেছেন এবং এতে তিনি বিস্মিত ও মর্মাহত।

ঘটনার পর মেজবাহ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি এবং খুদেবার্তারও কোনো জবাব দেননি।