ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদন

২০ দিনে হাম সন্দেহে ৯৮ শিশুর মৃত্যু

বাংলা অ্যাফেয়ার্স ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 67

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশে গত দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটার পর ১০ লক্ষাধিক শিশুকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিলের মধ্যে এই রোগের সন্দেহে অন্তত ৯৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিশ্চিতভাবে হামজনিত মৃত্যু ১৭টি।

হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যার বিস্তার রোধ করতে জনসংখ্যার অন্তত ৯৫ শতাংশকে টিকা দেওয়া প্রয়োজন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানে ঘাটতি এবং বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির মধ্যে দীর্ঘ বিরতি—যার পেছনে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা কাজ করেছে- সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বাংলাদেশ সর্বশেষ জাতীয় হাম টিকাদান কর্মসূচি চালায় ২০২০ সালে, তবে ২০২৪ সালে পরিকল্পিত পরবর্তী কর্মসূচি রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাতিল করা হয়।

সরকার টিকা দেওয়ার বয়স ৯ মাস থেকে কমিয়ে ৬ মাস করেছে এবং দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং বৈশ্বিক টিকা জোট গাভির সহায়তায় এই কর্মসূচি রোববার (৫ এপ্রিল) শুরু হয়েছে। প্রথমে ১৮টি জেলার উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এটি চালু করা হবে এবং আগামী ৩ মে থেকে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

রাজধানী ঢাকা ও কক্সবাজারে ঘনবসতিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টিকাদানের আওতা বাড়াতে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে বলে ইউনিসেফ জানিয়েছে।

৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে যারা নিয়মিত টিকা পায়নি এবং গুরুতর জটিলতার ঝুঁকিতে রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদন

২০ দিনে হাম সন্দেহে ৯৮ শিশুর মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশে গত দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটার পর ১০ লক্ষাধিক শিশুকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিলের মধ্যে এই রোগের সন্দেহে অন্তত ৯৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিশ্চিতভাবে হামজনিত মৃত্যু ১৭টি।

হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যার বিস্তার রোধ করতে জনসংখ্যার অন্তত ৯৫ শতাংশকে টিকা দেওয়া প্রয়োজন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানে ঘাটতি এবং বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির মধ্যে দীর্ঘ বিরতি—যার পেছনে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা কাজ করেছে- সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বাংলাদেশ সর্বশেষ জাতীয় হাম টিকাদান কর্মসূচি চালায় ২০২০ সালে, তবে ২০২৪ সালে পরিকল্পিত পরবর্তী কর্মসূচি রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাতিল করা হয়।

সরকার টিকা দেওয়ার বয়স ৯ মাস থেকে কমিয়ে ৬ মাস করেছে এবং দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং বৈশ্বিক টিকা জোট গাভির সহায়তায় এই কর্মসূচি রোববার (৫ এপ্রিল) শুরু হয়েছে। প্রথমে ১৮টি জেলার উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এটি চালু করা হবে এবং আগামী ৩ মে থেকে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

রাজধানী ঢাকা ও কক্সবাজারে ঘনবসতিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টিকাদানের আওতা বাড়াতে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে বলে ইউনিসেফ জানিয়েছে।

৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে যারা নিয়মিত টিকা পায়নি এবং গুরুতর জটিলতার ঝুঁকিতে রয়েছে।