শিল্পখাতকে এগোতে উদ্ভাবন ও টেকসই উৎপাদনের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
- / 14
আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শিল্পখাতকে টিকিয়ে রাখতে উদ্ভাবনী চিন্তা ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণকে অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্ববাজারে দ্রুত পরিবর্তনশীল চাহিদা, ভোক্তাদের বাড়তি সচেতনতা এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতার চাপ—এই তিনটি বাস্তবতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশের শিল্পখাতকে নতুন পথে এগোনোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, কেবল উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, বরং উৎপাদনের মান, নৈতিকতা এবং পরিবেশগত প্রভাবও সমানভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।
‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ওই বার্তায় তিনি আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থার গুরুত্বও তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের দিনে ভোক্তারা শুধু পণ্যের গুণগত মানেই সীমাবদ্ধ নন। তারা এখন উৎপাদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশের ওপর প্রভাব নিয়েও সচেতন। ফলে শিল্পখাতকে টিকে থাকতে হলে প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে আরও দায়িত্বশীল ও আধুনিক উৎপাদন কাঠামোর দিকে যেতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতি বছর পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, মান এবং আস্থার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) যৌথভাবে ৯ জুন এই দিবস পালন করে।
এবারের প্রতিপাদ্য ‘Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ধারণাগুলো আলাদা কিছু নয়; বরং আধুনিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) এখন পর্যন্ত ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে সনদ দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তারা বিভিন্ন স্কিমের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা দেশের পণ্য ও সেবাকে বৈশ্বিক বাজারে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই দিবস দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং শিল্পখাতের টেকসই অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।































