ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বেশি, দায় আগের সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / 11

দেশের বাণিজ্য ঘাটতি গত পাঁচ বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে এবং এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে ঘাটতি সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি এ অবস্থার জন্য আগের সরকারের নীতিকে দায়ী করেন।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান, ভুটান ও পাকিস্তানের সঙ্গেও ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, আগের সরকারের ভুল নীতি, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ডলার সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ওঠানামা করেছে, সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় ২০২১-২২ অর্থবছরে। একই সময়ে আমদানি ব্যয় রপ্তানির তুলনায় বেশি হারে বেড়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশের রপ্তানি ২০০টির বেশি দেশে পৌঁছালেও এর বড় অংশ এখনো তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। এ নির্ভরতা কমাতে চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, আইটি ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন খাতে প্রণোদনা বাড়ানো হচ্ছে।

রপ্তানি বৈচিত্র্য আনতে ‘এক জেলা এক পণ্য’ কর্মসূচি চালু হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বেশি, দায় আগের সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

দেশের বাণিজ্য ঘাটতি গত পাঁচ বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে এবং এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে ঘাটতি সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি এ অবস্থার জন্য আগের সরকারের নীতিকে দায়ী করেন।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান, ভুটান ও পাকিস্তানের সঙ্গেও ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, আগের সরকারের ভুল নীতি, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ডলার সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ওঠানামা করেছে, সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় ২০২১-২২ অর্থবছরে। একই সময়ে আমদানি ব্যয় রপ্তানির তুলনায় বেশি হারে বেড়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশের রপ্তানি ২০০টির বেশি দেশে পৌঁছালেও এর বড় অংশ এখনো তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। এ নির্ভরতা কমাতে চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, আইটি ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন খাতে প্রণোদনা বাড়ানো হচ্ছে।

রপ্তানি বৈচিত্র্য আনতে ‘এক জেলা এক পণ্য’ কর্মসূচি চালু হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।