ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যে জব্দ অর্থ ফেরাতে লাগবে শক্ত প্রমাণ: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 8

ছবি সংগৃহীত

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, যুক্তরাজ্যে জব্দ হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্পূর্ণভাবে একটি আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় এবং এর জন্য শক্ত প্রমাণ প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল),জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, এ ধরনের অর্থ ফেরত আনা তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব নয়; আইনের নির্ধারিত পথেই বিষয়টি এগোতে হবে। ২০২৫ সালের জুন থেকে বাংলাদেশি ব্যক্তিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ যুক্তরাজ্যে জব্দ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ।

অবৈধ অর্থ প্রবাহ ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, এ গ্রীষ্মে লন্ডনে ‘ইলিসিট ফিন্যান্স সামিট’ আয়োজন করবে যুক্তরাজ্য, যেখানে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশে অনাগ্রহের কথা জানান। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংস্কার ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখার কথাও উল্লেখ করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য উভয়ই প্রভাবিত হচ্ছে এবং সংঘাত নিরসনে যুক্তরাজ্য নীরবে কাজ করে যাচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুক্তরাজ্যে জব্দ অর্থ ফেরাতে লাগবে শক্ত প্রমাণ: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

সর্বশেষ আপডেট ১০:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, যুক্তরাজ্যে জব্দ হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্পূর্ণভাবে একটি আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় এবং এর জন্য শক্ত প্রমাণ প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল),জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, এ ধরনের অর্থ ফেরত আনা তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব নয়; আইনের নির্ধারিত পথেই বিষয়টি এগোতে হবে। ২০২৫ সালের জুন থেকে বাংলাদেশি ব্যক্তিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ যুক্তরাজ্যে জব্দ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ।

অবৈধ অর্থ প্রবাহ ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, এ গ্রীষ্মে লন্ডনে ‘ইলিসিট ফিন্যান্স সামিট’ আয়োজন করবে যুক্তরাজ্য, যেখানে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশে অনাগ্রহের কথা জানান। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংস্কার ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখার কথাও উল্লেখ করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য উভয়ই প্রভাবিত হচ্ছে এবং সংঘাত নিরসনে যুক্তরাজ্য নীরবে কাজ করে যাচ্ছে।