ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিকাদান নিয়ে ডেটা টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 11

আওয়ামী লীগ শাসনামলে টিকাদানের তথ্য উপাত্তে কারচুপির মাধ্যমে মিথ্যা পরিসংখ্যান প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার।

হামের টিকাদান পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময় ডেটা টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে টিকাদানের প্রকৃত চিত্র আড়াল করা হয়েছিল।

তার দাবি অনুযায়ী, ২০২০ সালের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের সরকারি তথ্য বাস্তব পরিস্থিতি প্রতিফলিত করে না, বরং বহু শিশু তখনো টিকার আওতার বাইরে ছিল।

তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জিডিপির অন্তত ১ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের লক্ষ্য রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, হামের সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমছে। যেসব উপজেলায় শুরুতেই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, সেখানে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো। নির্ধারিত লক্ষ্যের প্রায় ৯৫ শতাংশ অর্জিত হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, হামের পর নিউমোনিয়ার ঝুঁকি থাকায় হাসপাতালগুলোকে অতিরিক্ত প্রস্তুতি ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে জটিলতা ও মৃত্যু কমানো যায়।

এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতের তথ্য ব্যবস্থাপনা ও টিকাদান কাভারেজ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, যা নীতিনির্ধারণে আরও স্বচ্ছতার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে আনছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টিকাদান নিয়ে ডেটা টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আওয়ামী লীগ শাসনামলে টিকাদানের তথ্য উপাত্তে কারচুপির মাধ্যমে মিথ্যা পরিসংখ্যান প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার।

হামের টিকাদান পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময় ডেটা টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে টিকাদানের প্রকৃত চিত্র আড়াল করা হয়েছিল।

তার দাবি অনুযায়ী, ২০২০ সালের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের সরকারি তথ্য বাস্তব পরিস্থিতি প্রতিফলিত করে না, বরং বহু শিশু তখনো টিকার আওতার বাইরে ছিল।

তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জিডিপির অন্তত ১ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের লক্ষ্য রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, হামের সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমছে। যেসব উপজেলায় শুরুতেই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, সেখানে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো। নির্ধারিত লক্ষ্যের প্রায় ৯৫ শতাংশ অর্জিত হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, হামের পর নিউমোনিয়ার ঝুঁকি থাকায় হাসপাতালগুলোকে অতিরিক্ত প্রস্তুতি ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে জটিলতা ও মৃত্যু কমানো যায়।

এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতের তথ্য ব্যবস্থাপনা ও টিকাদান কাভারেজ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, যা নীতিনির্ধারণে আরও স্বচ্ছতার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে আনছে।