ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি দাম বাড়লেও খাদ্যমূল্যে বড় প্রভাব নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 6

জ্বালানির মূল্য সমন্বয় নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে আশ্বাস দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তার মতে, এই বৃদ্ধি খাদ্যপণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি করবে না।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব নিয়ে জনমনে উদ্বেগ থাকলেও সরকার সেটিকে খুব সীমিত বলেই মনে করছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, জ্বালানির দাম বাড়ানো হলেও এর প্রভাব খাদ্যমূল্যের ওপর তেমন পড়বে না বলে সরকারের হিসাব।

মঙ্গলবার বিকেলে দ্রব্যমূল্য সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতায় অনেক দেশই জ্বালানির দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে, বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, অনেক দেশে জ্বালানির দাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় হয়। আমদানি খরচ বাড়লে দাম বাড়ে, আবার কমলে কমে—এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

বর্তমান মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, দেশে এখন মূল্যস্ফীতি প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশের কাছাকাছি। তিনি বলেন, খাদ্য ও অখাদ্য—দুই ধরনের মূল্যস্ফীতির প্রভাব আলাদা, আর নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের আয়ের বড় অংশই খাদ্য ও বাসাভাড়ায় ব্যয় হয়।

তবে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকার বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু রেখেছে বলেও জানান তিনি। এর পাশাপাশি টিসিবির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে পণ্য সরবরাহ অব্যাহত আছে।

বাজারে অস্থিরতার পেছনে কেবল বাস্তব কারণ নয়, কখনো কখনো অতিরিক্ত চাহিদা বা গুজবও ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কম হলেও খোলা তেলের পর্যাপ্ততা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। নির্ধারিত দামের বেশি নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জ্বালানি দাম বাড়লেও খাদ্যমূল্যে বড় প্রভাব নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানির মূল্য সমন্বয় নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে আশ্বাস দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তার মতে, এই বৃদ্ধি খাদ্যপণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি করবে না।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব নিয়ে জনমনে উদ্বেগ থাকলেও সরকার সেটিকে খুব সীমিত বলেই মনে করছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, জ্বালানির দাম বাড়ানো হলেও এর প্রভাব খাদ্যমূল্যের ওপর তেমন পড়বে না বলে সরকারের হিসাব।

মঙ্গলবার বিকেলে দ্রব্যমূল্য সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতায় অনেক দেশই জ্বালানির দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে, বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, অনেক দেশে জ্বালানির দাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় হয়। আমদানি খরচ বাড়লে দাম বাড়ে, আবার কমলে কমে—এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

বর্তমান মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, দেশে এখন মূল্যস্ফীতি প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশের কাছাকাছি। তিনি বলেন, খাদ্য ও অখাদ্য—দুই ধরনের মূল্যস্ফীতির প্রভাব আলাদা, আর নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের আয়ের বড় অংশই খাদ্য ও বাসাভাড়ায় ব্যয় হয়।

তবে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকার বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু রেখেছে বলেও জানান তিনি। এর পাশাপাশি টিসিবির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে পণ্য সরবরাহ অব্যাহত আছে।

বাজারে অস্থিরতার পেছনে কেবল বাস্তব কারণ নয়, কখনো কখনো অতিরিক্ত চাহিদা বা গুজবও ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কম হলেও খোলা তেলের পর্যাপ্ততা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। নির্ধারিত দামের বেশি নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।