ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেলভর্তি ৫ জাহাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 10

ছবি সংগৃহীত

দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে একসঙ্গে ভিড়েছে পাঁচটি জাহাজ।

এর মধ্যে দুটি জাহাজ থেকে ইতোমধ্যে খালাস শুরু হয়েছে, আর বাকিগুলো অপেক্ষায় রয়েছে। এতে সামগ্রিক জ্বালানি মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বন্দর সূত্র জানায়, ডলফিন জেটিতে নোঙর করা ‘এমটি ওকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ জাহাজ থেকে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই দুটি জাহাজে মোট প্রায় ৬৮ হাজার টন ডিজেল রয়েছে, যা ধাপে ধাপে নামানো হচ্ছে।

এদিকে বহির্নোঙরে থাকা আরও তিনটি জাহাজে প্রায় এক লাখ টনের বেশি জ্বালানি রয়েছে, যার মধ্যে ডিজেল ও অকটেন উভয়ই আছে। এসব জাহাজ থেকে খালাস শুরু হলে মোট সরবরাহ আরও বাড়বে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদা বিবেচনায় দ্রুত খালাস ও সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব জ্বালানি পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে পাঠানো হবে, যাতে বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্পখাতে কোনো ঘাটতি না তৈরি হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি আমদানি ও খালাস কার্যক্রম চলতে থাকলে আসন্ন সময়ে সরবরাহ সংকটের ঝুঁকি কিছুটা কমে আসতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেলভর্তি ৫ জাহাজ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে একসঙ্গে ভিড়েছে পাঁচটি জাহাজ।

এর মধ্যে দুটি জাহাজ থেকে ইতোমধ্যে খালাস শুরু হয়েছে, আর বাকিগুলো অপেক্ষায় রয়েছে। এতে সামগ্রিক জ্বালানি মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বন্দর সূত্র জানায়, ডলফিন জেটিতে নোঙর করা ‘এমটি ওকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ জাহাজ থেকে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই দুটি জাহাজে মোট প্রায় ৬৮ হাজার টন ডিজেল রয়েছে, যা ধাপে ধাপে নামানো হচ্ছে।

এদিকে বহির্নোঙরে থাকা আরও তিনটি জাহাজে প্রায় এক লাখ টনের বেশি জ্বালানি রয়েছে, যার মধ্যে ডিজেল ও অকটেন উভয়ই আছে। এসব জাহাজ থেকে খালাস শুরু হলে মোট সরবরাহ আরও বাড়বে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদা বিবেচনায় দ্রুত খালাস ও সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব জ্বালানি পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে পাঠানো হবে, যাতে বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্পখাতে কোনো ঘাটতি না তৈরি হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি আমদানি ও খালাস কার্যক্রম চলতে থাকলে আসন্ন সময়ে সরবরাহ সংকটের ঝুঁকি কিছুটা কমে আসতে পারে।