ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে ৩৯ গ্রামে ইসরায়েলের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 4

, বৈরুতের তাল্লেত আল-খায়াত মহল্লায় একটি ইসরায়েলি বিমান হামলায় বিধ্বস্ত এলাকায় উদ্ধারকর্মী ও বাসিন্দারা সমবেত হয়েছেন। (এএফপি), ২০২৬,৮ই এপ্রিল

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন গ্রামে ঘরবাড়ি ধ্বংস ও হতাহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আবারও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে বৈরুত।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, অন্তত ৩৯টি গ্রামে হামলার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নাবাতিয়েহ অঞ্চলে বিমান হামলায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর মিলেছে। ইসরায়েল দাবি করছে, তাদের এই অভিযান হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করেই পরিচালিত হচ্ছে, যদিও লেবাননের পক্ষ থেকে এটিকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুদ্ধবিরতির পর ধীরে ধীরে ঘরে ফিরতে শুরু করা বাস্তুচ্যুত মানুষদের অনেকেই গিয়ে দেখছেন ধ্বংসস্তূপ ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নেই। অনেক এলাকায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে স্থায়ীভাবে ফিরে যাওয়া এখনো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনরুদ্ধার নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

এদিকে সীমান্তজুড়ে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। এতে করে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তবে উত্তেজনা কমেনি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

একই সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও মাটির পরিস্থিতি এখনো অস্থির। দুই পক্ষের অবস্থান কঠোর থাকায় উত্তেজনা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে ৩৯ গ্রামে ইসরায়েলের হামলা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন গ্রামে ঘরবাড়ি ধ্বংস ও হতাহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আবারও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে বৈরুত।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, অন্তত ৩৯টি গ্রামে হামলার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নাবাতিয়েহ অঞ্চলে বিমান হামলায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর মিলেছে। ইসরায়েল দাবি করছে, তাদের এই অভিযান হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করেই পরিচালিত হচ্ছে, যদিও লেবাননের পক্ষ থেকে এটিকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুদ্ধবিরতির পর ধীরে ধীরে ঘরে ফিরতে শুরু করা বাস্তুচ্যুত মানুষদের অনেকেই গিয়ে দেখছেন ধ্বংসস্তূপ ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নেই। অনেক এলাকায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে স্থায়ীভাবে ফিরে যাওয়া এখনো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনরুদ্ধার নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

এদিকে সীমান্তজুড়ে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। এতে করে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তবে উত্তেজনা কমেনি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

একই সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও মাটির পরিস্থিতি এখনো অস্থির। দুই পক্ষের অবস্থান কঠোর থাকায় উত্তেজনা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।