চালক ও মালিকদের কঠোর সতর্কবার্তা বিআরটিএর
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:২২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- / 81
সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গণপরিবহন চালকদের দৈনিক কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA)। শনিবার (২৩ মে) সংস্থাটির সদর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, কোনো চালক একটানা ৫ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাতে পারবেন না। এই নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত সময় গাড়ি চালালে সংশ্লিষ্ট চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
দেশের সড়ক মহাসড়কগুলোতে লাগামহীন দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির ঘটনা কমিয়ে আনতে এবার পরিবহণ খাতে বড় ধরণের আইনি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। চালকদের অতিরিক্ত ক্লান্তিজনিত কারণে ঘটা দুর্ঘটনাগুলো প্রতিরোধ করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মূলত চালক ও মালিকদের কঠোর সতর্কবার্তা বিআরটিএর শিরোনামের এই জরুরি নির্দেশনাটি দেশের সকল গণপরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে। শনিবার বিকেলে বিআরটিএর সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এই সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
বিদ্যমান মোটরযান আইন ও বিধিমালা বিশ্লেষণ করে চালকদের জন্য দৈনিক এবং সাপ্তাহিক কাজের একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চালক ও মালিকদের কঠোর সতর্কবার্তা বিআরটিএর এই নতুন নিয়মানুযায়ী একজন চালক একটানা পাঁচ ঘণ্টা গাড়ি চালানোর পর অবশ্যই অন্তত ৩০ মিনিট বিশ্রামের সুযোগ পাবেন। এই বিরতির পর তিনি সর্বোচ্চ আরও তিন ঘণ্টা গাড়ি চালাতে পারবেন, অর্থাৎ কোনোভাবেই দিনে আট ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি ডিউটি করা যাবে না।
নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত সময় ধরে রাস্তায় গাড়ি চালালে চালকের শারীরিক ও মানসিক অবসাদ বেড়ে যায়, যা দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। বর্তমানে চালক ও মালিকদের কঠোর সতর্কবার্তা বিআরটিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নিয়ম ভঙ্গকারীদের লাইসেন্স ও গাড়ির পারমিট বাতিলসহ ভারী জরিমানা করা হবে।
পরিশেষে বলা যায়, সড়কে যেকোনো ধরণের জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বা যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে চালকদের সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
































