চড়া মাছ-মুরগি-ডিমের দাম, কিছুটা স্বস্তি সবজিতে
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
- / 9
রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম এখনও বেশ চড়া। অধিকাংশ মাছই ২০০ টাকার নিচে মিলছে না। তবে কিছুটা স্বস্তি এসেছে সবজির বাজারে। বেশিরভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও মৌসুমি না হওয়ায় কয়েক ধরনের সবজির দাম রয়েছে বেশি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
মাছের বাজারে তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই ও কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০, চাষের কই ৩০০ এবং শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকা কেজি দরে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ৩ হাজার টাকা।
কাওরান বাজারের ক্রেতা আবুল্লাহ বলেন, ২২০ টাকার নিচে এখন মাছ পাওয়া কঠিন। তেলাপিয়াও ২৫০ টাকা কেজি। ফলে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে বিক্রেতাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে মাছের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি।
মাংস ও ডিমের বাজারেও একই পরিস্থিতি। রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগি ১৯০, সোনালি ৩২০ এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম পড়ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। প্রতি ডজন সাদা ডিম ১৩০ এবং বাদামি ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি বিক্রেতা আহমেদ শরিফ বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার ১৯০ ও সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে কিছুটা কমেছে সবজির দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ সবজির দাম কমলেও মৌসুমি না হওয়ায় বেগুন, শিম, গাজর, বরবটি ও টমেটোর দাম এখনও বেশি। এসব সবজি ৮০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবারের বাজারে টমেটো ১৩০, কাঁচা মরিচ ১২০, পটল ও শসা ৬০, করলা ৮০, বরবটি ১০০ এবং ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাঁকরোল ৮০, ঢ্যাঁড়স ৬০, শিম ২০০, পেঁপে ৪০, গাজর ১৪০, ধুন্দুল ৬০, মুলা ৮০ এবং বেগুন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মালিবাগ বাজারের ক্রেতা কামরুল বলেন, আগের তুলনায় সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে চার-পাঁচ ধরনের সবজির দাম এখনও ১০০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে বেশিরভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, বেগুন, শিম, গাজর, বরবটি ও টমেটোর মৌসুম না হওয়ায় এসব সবজির সরবরাহ কম। এ কারণে দামও তুলনামূলক বেশি। তবে অন্যান্য সবজির দাম কমেছে। বৃষ্টিপাত বেশি না হলে বাজারে সবজির দাম বর্তমান অবস্থাতেই থাকতে পারে বলে মনে করছেন তারা।



































