ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাবতলী হাটে জমজমাট বিক্রি, চাহিদায় মাঝারি গরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • / 15

ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। তবে এবার বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে মাঝারি আকারের গরুর প্রতি, আর দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি বলেই জানিয়েছেন অনেকে।

রাজধানীতে হাট শুরুর কয়েক দিনের মাথায় গাবতলী পশুর হাটে বেচাকেনা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা গরু ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন, আর ক্রেতারাও পছন্দের গরু খুঁজে নিতে হাটে ঘুরছেন।

হাটে থাকা একাধিক হাসিল ঘরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এবার বাজারে এক লাখ টাকার নিচে গরু পাওয়া তুলনামূলক কঠিন হয়ে পড়েছে। মাঝারি গরুর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।

বিভিন্ন জেলা থেকে আসা খামারি ও ব্যবসায়ীরা জানান, বিক্রি মোটামুটি ভালো হলেও প্রত্যাশিত লাভ সব ক্ষেত্রে মিলছে না। কেউ কেউ আবার আংশিক বিক্রি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার কথাও বলেন।

অন্যদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী গরু পাওয়া যাচ্ছে বলে তারা হাট ছেড়েছেন।

হাটে ঘুরে দেখা গেছে, হাসিল আদায়ের কেন্দ্রগুলোতে ভিড় থাকলেও সড়কে আগের মতো অতিরিক্ত চাপ নেই। গরু কেনার পর ক্রেতারা দ্রুতই পরিবহন করে নিয়ে যাচ্ছেন, ফলে হাট এলাকা তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত রয়েছে।

এদিকে মাইকিংয়ে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে যেন হাসিল পরিশোধ ছাড়া কোনো গরু হাট ত্যাগ না করে। নিয়ম অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গাবতলী হাটে জমজমাট বিক্রি, চাহিদায় মাঝারি গরু

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। তবে এবার বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে মাঝারি আকারের গরুর প্রতি, আর দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি বলেই জানিয়েছেন অনেকে।

রাজধানীতে হাট শুরুর কয়েক দিনের মাথায় গাবতলী পশুর হাটে বেচাকেনা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা গরু ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন, আর ক্রেতারাও পছন্দের গরু খুঁজে নিতে হাটে ঘুরছেন।

হাটে থাকা একাধিক হাসিল ঘরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এবার বাজারে এক লাখ টাকার নিচে গরু পাওয়া তুলনামূলক কঠিন হয়ে পড়েছে। মাঝারি গরুর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।

বিভিন্ন জেলা থেকে আসা খামারি ও ব্যবসায়ীরা জানান, বিক্রি মোটামুটি ভালো হলেও প্রত্যাশিত লাভ সব ক্ষেত্রে মিলছে না। কেউ কেউ আবার আংশিক বিক্রি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার কথাও বলেন।

অন্যদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী গরু পাওয়া যাচ্ছে বলে তারা হাট ছেড়েছেন।

হাটে ঘুরে দেখা গেছে, হাসিল আদায়ের কেন্দ্রগুলোতে ভিড় থাকলেও সড়কে আগের মতো অতিরিক্ত চাপ নেই। গরু কেনার পর ক্রেতারা দ্রুতই পরিবহন করে নিয়ে যাচ্ছেন, ফলে হাট এলাকা তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত রয়েছে।

এদিকে মাইকিংয়ে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে যেন হাসিল পরিশোধ ছাড়া কোনো গরু হাট ত্যাগ না করে। নিয়ম অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হচ্ছে।