ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের ৪ বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 20

আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের ৪ বছর কারাদণ্ড

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া তার অবৈধভাবে অর্জিত ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বি এম তারিকুল কবীর এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

দুদকের কৌঁসুলি দেলোয়ার জাহান রুমী জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সিয়ামকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সিয়াম সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আলোচিত সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে। তিনি একসময় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন গত বছরের ৫ জানুয়ারি সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তিনি ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।

তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন। তদন্তে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

গত ১৭ জুন একই আদালত সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এ মামলায় মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে সিয়াম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে আদালত রায়ের জন্য ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের ৪ বছর কারাদণ্ড

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া তার অবৈধভাবে অর্জিত ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বি এম তারিকুল কবীর এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

দুদকের কৌঁসুলি দেলোয়ার জাহান রুমী জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সিয়ামকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সিয়াম সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আলোচিত সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে। তিনি একসময় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন গত বছরের ৫ জানুয়ারি সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তিনি ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।

তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন। তদন্তে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

গত ১৭ জুন একই আদালত সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এ মামলায় মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে সিয়াম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে আদালত রায়ের জন্য ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।