ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট করতে চাই: হুমায়ূন
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 18
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে চায় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। অতীতের ১৫ বছরের সম্পর্কের ধারা থেকে বের হয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি কার্যকর ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি ‘গুড ওয়ার্কিং রিলেশনশিপ’ প্রয়োজন। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হলে তা কোনো বহুপক্ষীয় সম্মেলনের ফাঁকে নয়, বরং দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়াই বেশি কার্যকর হবে বলে মনে করেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ বলেন, ‘উই ওয়ান্ট টু রিসেট আওয়ার রিলেশনশিপ।’ তার ভাষ্য, গত ১৫ বছর একটি ‘ঝামেলাগ্রস্ত, ত্রুটিপূর্ণ ও লুটেরা সরকারের’ সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ছিল। সেই ধারা থেকে বের হয়ে এখন নতুন সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ।

তবে বহুপক্ষীয় ফোরামে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বৈঠক হবে না; বিষয়টি এমন নয় বলেও জানান তিনি। হুমায়ুন কবির বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় পর্যায়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। তবে বহুপক্ষীয় সম্মেলনের সাইডলাইনে সবার সঙ্গে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করা সব সময় সম্ভব নয়।
ভারত প্রসঙ্গে অতিরিক্ত মনোযোগ না দিয়ে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সব সময় সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারে শুধু ভারতের কথা ভাবলে চলবে না। নিজেদের দেশের বিষয় নিয়েও ভাবতে হবে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে আগামী জানুয়ারিতে নির্বাচন প্রসঙ্গে সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের পদত্যাগের বিষয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ওই পদে সায়মা ওয়াজেদের নিয়োগ ছিল ‘অত্যন্ত দুঃখজনক ও বিতর্কিত’। তার দাবি, উচ্চপর্যায়ের ওই পদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা সায়মা ওয়াজেদের ছিল না এবং তৎকালীন সরকার স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তাকে ওই পদে বসিয়েছিল।
সায়মা ওয়াজেদের নিয়োগের বিষয়ে তদন্ত হওয়াকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, সাবেক সরকারের সময়ে জালিয়াতি, তথ্য গোপন ও প্রভাব খাটিয়ে তাকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে তদন্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়।































