ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য উপদেষ্টা

স্বল্প সময়ের মধ্যেই কমবে লোডশেডিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 11

ডা. জাহেদ উর রহমান। (ফাইল ছবি)

দেশে চলমান লোডশেডিং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে যে লোডশেডিং হচ্ছে, তার চাপ এবার শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ চলছে এবং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই বর্তমান লোডশেডিংয়ের মাত্রা অনেকটা কমে আসবে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় এমন মাত্রায় লোডশেডিং হচ্ছে, যা অতীতে তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। আগে রাজধানীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ অনেকটা নিশ্চিত রেখে গ্রামাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি লোডশেডিং করা হতো। তবে বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ সংকটের চাপ সবার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার নীতি নিয়েছে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বড় শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে। কারণ এসব এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি পরিচালিত হয়। তবে সরকারের বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংকটের সময় লোডশেডিংয়ের চাপ সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে। এ কারণেই ঢাকাতেও এখন লোডশেডিং দেখা যাচ্ছে।

এর পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকার এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ‘নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ’ সরবরাহের যে দাবি করা হয়েছিল, বাস্তবে তখন কী পরিমাণ লোডশেডিং হয়েছিল, সেই তথ্যও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে লোডশেডিং হয়েছে, সেই তথ্য প্রকাশের চেষ্টা করা হবে।

বিদ্যুৎ সংকটের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, জ্বালানির ঘাটতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে উৎপাদন কমে যাওয়া, সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদার কারণে বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তথ্য উপদেষ্টা

স্বল্প সময়ের মধ্যেই কমবে লোডশেডিং

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে চলমান লোডশেডিং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে যে লোডশেডিং হচ্ছে, তার চাপ এবার শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ চলছে এবং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই বর্তমান লোডশেডিংয়ের মাত্রা অনেকটা কমে আসবে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় এমন মাত্রায় লোডশেডিং হচ্ছে, যা অতীতে তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। আগে রাজধানীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ অনেকটা নিশ্চিত রেখে গ্রামাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি লোডশেডিং করা হতো। তবে বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ সংকটের চাপ সবার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার নীতি নিয়েছে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বড় শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে। কারণ এসব এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি পরিচালিত হয়। তবে সরকারের বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংকটের সময় লোডশেডিংয়ের চাপ সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে। এ কারণেই ঢাকাতেও এখন লোডশেডিং দেখা যাচ্ছে।

এর পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকার এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ‘নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ’ সরবরাহের যে দাবি করা হয়েছিল, বাস্তবে তখন কী পরিমাণ লোডশেডিং হয়েছিল, সেই তথ্যও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে লোডশেডিং হয়েছে, সেই তথ্য প্রকাশের চেষ্টা করা হবে।

বিদ্যুৎ সংকটের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, জ্বালানির ঘাটতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে উৎপাদন কমে যাওয়া, সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদার কারণে বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে।