সচিবের সই ছাড়াই ফাইল অনুমোদন করেন আসিফ: প্রতিমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- / 71
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন যে, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া সংশ্লিষ্ট সচিবের স্বাক্ষর বা সই ছাড়াই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে একটি প্রকল্পের ফাইল অনুমোদন করেছিলেন।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন। একই সাথে বিগত আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের স্থানীয় সরকার বিভাগের যাবতীয় দুর্নীতি ও অনিয়ম খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দেশের স্থানীয় সরকার বিভাগে বিগত বছরগুলোতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবার কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। পূর্ববর্তী দুই সরকারের মেয়াদে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে যে সমস্ত প্রশাসনিক স্বৈরাচার ও নিয়মবহির্ভূত কাজ হয়েছে, তা একে একে প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। মূলত সচিবের সই ছাড়াই ফাইল অনুমোদন আসিফের শিরোনামের এই চাঞ্চল্যকর তথ্যটি প্রকাশ পাওয়ায় সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, যেকোনো স্তরের ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সরকার এখন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
২০০৯ সাল থেকে শুরু করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও এর অধীনস্থ সমস্ত দপ্তরের কার্যক্রম নিখুঁতভাবে খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে সচিবের সই ছাড়াই ফাইল অনুমোদন আসিফের এই গুরুতর অভিযোগের পাশাপাশি এই দীর্ঘ সময়ের জালিয়াতি তদন্তে স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালককে প্রধান করে ৭ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে আগামী ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে যাবতীয় অনিয়মের বিবরণসহ একটি চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে পিরোজপুর জেলার স্থানীয় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও একটি বড় ধরণের আর্থিক কেলেঙ্কারির বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। বর্তমানে সচিবের সই ছাড়াই ফাইল অনুমোদন আসিফের ঘটনার পাশাপাশি জানা গেছে, পিরোজপুরে একটি নির্দিষ্ট মেগা প্রকল্পের টেন্ডার বা দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মাঠপর্যায়ে কোনো বাস্তব কাজ না করেই প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
































