ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শান্তি প্রস্তাব না মানলে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপর্যয়ে পড়তে হবে: ইরান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 10

মধ্যপ্রাচ্যের টানটান পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, তাদের শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ না করলে ওয়াশিংটনকে ধারাবাহিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে।

মঙ্গলবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ইরানি জনগণের অধিকার স্বীকৃতি ছাড়া কোনো বাস্তব সমাধান সম্ভব নয়। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র যত দেরি করবে, ততই তাদের ওপর চাপ ও ব্যয় বাড়বে।

এই বক্তব্য এসেছে এমন সময়ে, যখন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পাল্টা প্রস্তাবকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

গত কয়েক মাস ধরে চলা এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। যুদ্ধবিরতি থাকলেও দুই পক্ষের অবস্থান এখনো অনড় ও উত্তেজনাপূর্ণ।

ইরান দাবি করছে, তাদের প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি, আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন এবং বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয় রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে তারা সীমিত ও অসম্পূর্ণ কাঠামোর সমঝোতা হিসেবে দেখছে।

এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী তেহরানে সামরিক মহড়া চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতির বার্তা দেওয়া হয়।

তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। তেহরানের এক বাসিন্দা জানান, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ এতটাই যে মানুষ এখন শুধু দিন পার করাতেই ব্যস্ত।

অর্থনৈতিক চাপও তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ঘিরে অনিশ্চয়তা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে জ্বালানি, খাদ্য ও সার সরবরাহ ব্যবস্থায় আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শান্তি প্রস্তাব না মানলে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপর্যয়ে পড়তে হবে: ইরান

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের টানটান পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, তাদের শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ না করলে ওয়াশিংটনকে ধারাবাহিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে।

মঙ্গলবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ইরানি জনগণের অধিকার স্বীকৃতি ছাড়া কোনো বাস্তব সমাধান সম্ভব নয়। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র যত দেরি করবে, ততই তাদের ওপর চাপ ও ব্যয় বাড়বে।

এই বক্তব্য এসেছে এমন সময়ে, যখন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পাল্টা প্রস্তাবকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

গত কয়েক মাস ধরে চলা এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। যুদ্ধবিরতি থাকলেও দুই পক্ষের অবস্থান এখনো অনড় ও উত্তেজনাপূর্ণ।

ইরান দাবি করছে, তাদের প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি, আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন এবং বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয় রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে তারা সীমিত ও অসম্পূর্ণ কাঠামোর সমঝোতা হিসেবে দেখছে।

এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী তেহরানে সামরিক মহড়া চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতির বার্তা দেওয়া হয়।

তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। তেহরানের এক বাসিন্দা জানান, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ এতটাই যে মানুষ এখন শুধু দিন পার করাতেই ব্যস্ত।

অর্থনৈতিক চাপও তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ঘিরে অনিশ্চয়তা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে জ্বালানি, খাদ্য ও সার সরবরাহ ব্যবস্থায় আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।