ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ দিনে ১২৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 26

মে মাসের শুরুটা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারের জন্য ইতিবাচক বার্তা নিয়ে এসেছে। মাত্র ১০ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১২৮ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে দেখা যায়, এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এবারের প্রবাহে স্পষ্ট ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১০ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০.৩০ শতাংশ বেশি।

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহ, পাশাপাশি ডলারের বাজারভিত্তিক দর নির্ধারণ—এই দুই কারণে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। ফলে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

এর আগে এপ্রিলে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, আর মার্চে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসে—যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতেও যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ও ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার দেশে আসে।

গত বছরের শেষ দিকেও এই ধারা অব্যাহত ছিল; নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যথাক্রমে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ও ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার আসে। সামগ্রিকভাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার, যা এক অর্থবছরে দেশের সর্বোচ্চ রেকর্ড।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই ধারা বজায় থাকলে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১০ দিনে ১২৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

মে মাসের শুরুটা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারের জন্য ইতিবাচক বার্তা নিয়ে এসেছে। মাত্র ১০ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১২৮ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে দেখা যায়, এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এবারের প্রবাহে স্পষ্ট ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১০ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০.৩০ শতাংশ বেশি।

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহ, পাশাপাশি ডলারের বাজারভিত্তিক দর নির্ধারণ—এই দুই কারণে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। ফলে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

এর আগে এপ্রিলে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, আর মার্চে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসে—যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতেও যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ও ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার দেশে আসে।

গত বছরের শেষ দিকেও এই ধারা অব্যাহত ছিল; নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যথাক্রমে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ও ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার আসে। সামগ্রিকভাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার, যা এক অর্থবছরে দেশের সর্বোচ্চ রেকর্ড।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই ধারা বজায় থাকলে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।