ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণপিটুনিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 28

কুমিল্লার তিতাস

কুমিল্লার তিতাসে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে গিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে জনরোষের মুখে প্রাণ হারিয়েছেন আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। গত সোমবার (১১ মে) রাতে মানিককান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত লতিফ একটি যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি ছিলেন এবং মাত্র চার দিন আগে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পুরনো শত্রুতার জেরে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘাত ঘটেছে। ২০২২ সালে যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লাকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া গত বৃহস্পতিবার জামিনে কারাগার থেকে বের হন। মূলত গণপিটুনিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত হওয়ার ঘটনাটি ঘটে যখন তিনি সোমবার রাতে জহিরুলের চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর মোল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই স্থানীয় জনতা তাকে ঘেরাও করে গণপিটুনি দেয়।

তিতাস থানা পুলিশ জানায়, ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে তারা গুরুতর আহত অবস্থায় লতিফকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে গণপিটুনিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ জানায়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মধ্যরাতে তার মৃত্যু হয়। লতিফের পরিবারের সাথে জহিরুল মোল্লার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধই এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মূল কারণ।

ওসি মো. মমিনুল হক জানিয়েছেন, নিহতের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে গণপিটুনিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং সংঘাত এড়াতে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মূলত আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিশেষে বলা যায়, জামিনে মুক্ত হওয়ার পরপরই এমন সংঘাত সমাজ ও আইনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণপিটুনিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

কুমিল্লার তিতাসে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে গিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে জনরোষের মুখে প্রাণ হারিয়েছেন আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। গত সোমবার (১১ মে) রাতে মানিককান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত লতিফ একটি যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি ছিলেন এবং মাত্র চার দিন আগে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পুরনো শত্রুতার জেরে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘাত ঘটেছে। ২০২২ সালে যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লাকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া গত বৃহস্পতিবার জামিনে কারাগার থেকে বের হন। মূলত গণপিটুনিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত হওয়ার ঘটনাটি ঘটে যখন তিনি সোমবার রাতে জহিরুলের চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর মোল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই স্থানীয় জনতা তাকে ঘেরাও করে গণপিটুনি দেয়।

তিতাস থানা পুলিশ জানায়, ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে তারা গুরুতর আহত অবস্থায় লতিফকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে গণপিটুনিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ জানায়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মধ্যরাতে তার মৃত্যু হয়। লতিফের পরিবারের সাথে জহিরুল মোল্লার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধই এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মূল কারণ।

ওসি মো. মমিনুল হক জানিয়েছেন, নিহতের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে গণপিটুনিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং সংঘাত এড়াতে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মূলত আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিশেষে বলা যায়, জামিনে মুক্ত হওয়ার পরপরই এমন সংঘাত সমাজ ও আইনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।