ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’ চালানোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 14

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আগের স্থগিত রাখা অভিযান আরও বিস্তৃত আকারে পুনরায় শুরু হতে পারে।

ট্রাম্প এই সম্ভাব্য অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’। ইরান দ্রুত সমঝোতায় না পৌঁছালে দেশটিকে বড় ধরনের পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন বর্তমানে শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রস্তাব নিয়ে ইরানের অবস্থানের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে তেহরান যদি নমনীয় না হয়, তবে পুরো বিশ্ব ইরান থেকে এক বড় ধরনের বিস্ফোরণ দেখবে।

মূলত তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করার লক্ষ্যেই এই ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’-এর হুমকি দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আবারও নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

এদিকে একটি ইসরায়েলি টিভি চ্যানেলের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের জ্বালানি খাতে সম্ভাব্য সামরিক হামলার প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের মতে, মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এই খাতে আঘাত হানলে ইরান আলোচনায় দুর্বল অবস্থানে চলে আসবে।

মূলত ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’ কার্যকর করার ক্ষেত্রে ইসরায়েল নিয়মিতভাবে ওয়াশিংটনকে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। তারা মনে করে, শুধুমাত্র পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করাই যথেষ্ট নয়, বরং ইরানের ওপর আরও কঠোর ও বিস্তৃত চাপ প্রয়োজন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন যেন ইরানের সঙ্গে আলোচনা দীর্ঘায়িত না হয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তেহরানের ওপর সামরিক ও অর্থনৈতিক উভয় ধরনের চাপ বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি নিরাপত্তা মহলের মতে, ওয়াশিংটন-তেহরান কোনো চুক্তিতে পৌঁছালে তা তেল আবিবের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’-এর এই নতুন হুমকি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সমাধানের পথকে আরও কণ্টকাকীর্ণ করে তুলেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানে ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’ চালানোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আগের স্থগিত রাখা অভিযান আরও বিস্তৃত আকারে পুনরায় শুরু হতে পারে।

ট্রাম্প এই সম্ভাব্য অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’। ইরান দ্রুত সমঝোতায় না পৌঁছালে দেশটিকে বড় ধরনের পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন বর্তমানে শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রস্তাব নিয়ে ইরানের অবস্থানের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে তেহরান যদি নমনীয় না হয়, তবে পুরো বিশ্ব ইরান থেকে এক বড় ধরনের বিস্ফোরণ দেখবে।

মূলত তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করার লক্ষ্যেই এই ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’-এর হুমকি দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আবারও নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

এদিকে একটি ইসরায়েলি টিভি চ্যানেলের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের জ্বালানি খাতে সম্ভাব্য সামরিক হামলার প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের মতে, মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এই খাতে আঘাত হানলে ইরান আলোচনায় দুর্বল অবস্থানে চলে আসবে।

মূলত ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’ কার্যকর করার ক্ষেত্রে ইসরায়েল নিয়মিতভাবে ওয়াশিংটনকে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। তারা মনে করে, শুধুমাত্র পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করাই যথেষ্ট নয়, বরং ইরানের ওপর আরও কঠোর ও বিস্তৃত চাপ প্রয়োজন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন যেন ইরানের সঙ্গে আলোচনা দীর্ঘায়িত না হয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তেহরানের ওপর সামরিক ও অর্থনৈতিক উভয় ধরনের চাপ বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি নিরাপত্তা মহলের মতে, ওয়াশিংটন-তেহরান কোনো চুক্তিতে পৌঁছালে তা তেল আবিবের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, ‘অপারেশন ফ্রিডম প্লাস’-এর এই নতুন হুমকি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সমাধানের পথকে আরও কণ্টকাকীর্ণ করে তুলেছে।