ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবরোধ ভেঙে ইরানে ফিরল ৩ তেল ট্যাংকার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / 23

যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নৌ-অবরোধ উপেক্ষা করে তিনটি খালি তেলের ট্যাংকার ইরানের জলসীমায় পৌঁছেছে। একই সময়ে সৌদি আরব ও কুয়েতের অবস্থান পরিবর্তনের পর মধ্যপ্রাচ্যে আবারও মার্কিন সামরিক তৎপরতা বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা কঠোর নৌ-অবরোধের মধ্যেও তিনটি খালি তেলের ট্যাংকার সফলভাবে ইরানে ফিরে গেছে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘ট্যাংকার ট্র্যাকার্স’ শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংস্থাটির দাবি, গত দুই দিনে পাকিস্তানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ব্যবহার করে ট্যাংকারগুলো ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করে। এর মধ্যে অন্তত দুটি ট্যাংকারকে স্যাটেলাইট ছবিতে শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি অঞ্চলজুড়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এদিকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক তৎপরতা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কাটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব ও কুয়েত এখন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। ফলে স্থগিত হয়ে থাকা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযান আবারও চালুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই অভিযানটি পুনরায় শুরু হতে পারে। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট  ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ঘোষণার মাত্র দুই দিন পরই তিনি অভিযান থেকে সরে আসার কথা জানান।

তখন ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় তিনি সিদ্ধান্ত বদল করেছেন। পরে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, মূলত সৌদি আরব ও কুয়েত তাদের আকাশসীমা ও সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় ওয়াশিংটন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধার মুখে পড়ে।

সূত্রগুলো আরও বলছে, অভিযান ঘোষণার আগে আরব মিত্রদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা না করায় রিয়াদ বিস্মিত হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে সৌদি যুবরাজকে ফোন করেছিলেন ট্রাম্প। তবে সেই আলোচনাতেও দুই পক্ষের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অবরোধ ভেঙে ইরানে ফিরল ৩ তেল ট্যাংকার

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নৌ-অবরোধ উপেক্ষা করে তিনটি খালি তেলের ট্যাংকার ইরানের জলসীমায় পৌঁছেছে। একই সময়ে সৌদি আরব ও কুয়েতের অবস্থান পরিবর্তনের পর মধ্যপ্রাচ্যে আবারও মার্কিন সামরিক তৎপরতা বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা কঠোর নৌ-অবরোধের মধ্যেও তিনটি খালি তেলের ট্যাংকার সফলভাবে ইরানে ফিরে গেছে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘ট্যাংকার ট্র্যাকার্স’ শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংস্থাটির দাবি, গত দুই দিনে পাকিস্তানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ব্যবহার করে ট্যাংকারগুলো ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করে। এর মধ্যে অন্তত দুটি ট্যাংকারকে স্যাটেলাইট ছবিতে শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি অঞ্চলজুড়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এদিকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক তৎপরতা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কাটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব ও কুয়েত এখন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। ফলে স্থগিত হয়ে থাকা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযান আবারও চালুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই অভিযানটি পুনরায় শুরু হতে পারে। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট  ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ঘোষণার মাত্র দুই দিন পরই তিনি অভিযান থেকে সরে আসার কথা জানান।

তখন ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় তিনি সিদ্ধান্ত বদল করেছেন। পরে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, মূলত সৌদি আরব ও কুয়েত তাদের আকাশসীমা ও সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় ওয়াশিংটন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধার মুখে পড়ে।

সূত্রগুলো আরও বলছে, অভিযান ঘোষণার আগে আরব মিত্রদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা না করায় রিয়াদ বিস্মিত হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে সৌদি যুবরাজকে ফোন করেছিলেন ট্রাম্প। তবে সেই আলোচনাতেও দুই পক্ষের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি।