মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার থামবে না: তথ্যমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:২১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
- / 16
মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা কিংবা রাজনৈতিক দমন-পীড়নের কোনো ঘটনাকেই সময়ের আড়ালে হারিয়ে যেতে দেবে না সরকার বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শাপলা চত্বর থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধকালীন গণহত্যা—সব ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
রাজধানীর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে শাপলা শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশে সংঘটিত কোনো মানবতাবিরোধী অপরাধ কিংবা ন্যায়বিচারবিরোধী কর্মকাণ্ডকে সরকার কখনো তামাদি হতে দেবে না।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ইতোমধ্যে শাপলা চত্বরের শহীদদের প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা জানিয়েছে। একইসঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী দাবি করেন, ২০০৯ সালের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে দমন-পীড়ন, বিরোধী দলের কর্মসূচিতে হামলা এবং শাপলা চত্বরের অভিযানের মতো ঘটনাগুলোর মধ্য দিয়ে গভীর সংকটে পৌঁছায়। সেই ক্ষোভই পরবর্তীতে জাতীয় ঐক্যে রূপ নেয় এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটে।
শাপলা চত্বরের ঘটনার পর বিএনপি ও বিরোধী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, তৎকালীন সরকারপন্থি গণমাধ্যম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয় এবং বহু রাজনৈতিক নেতাকে মামলায় জড়ানো হয়েছিল।
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য গড়ে উঠেছিল তাঁর গ্রহণযোগ্যতার কারণেই। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে শাপলা শহীদদের স্মরণ করার মাধ্যমে সরকার দায়বদ্ধতার বার্তা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি সামাজিক ঐক্য ছাড়া বড় কোনো জাতীয় লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। ধর্মীয় মূল্যবোধ, স্বাধীনতা, স্বনির্ভরতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারলেই শহীদদের প্রতি প্রকৃত দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান রতন, সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা, মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক, মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া।































