নরসিংদীতে তোফাজ্জল হোসেন মাস্টারকে পরিবহণ নেতাদের সংবর্ধনা
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
- / 45
নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন মাস্টারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি, যেখানে স্থানীয় উন্নয়ন ও পরিবহণ খাতের সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন মাস্টারকে রোববার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জানিয়েছে নরসিংদী আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি। জেলা মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পরিবহণ খাতের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট সমিতির সভাপতি মো. সারোয়ার হোসেন মৃধা। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার নরসিংদীর রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে ভূমিকা রেখে আসছেন। তার নেতৃত্বে জেলা পরিষদের কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে—এমন প্রত্যাশার কথাই তিনি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে পরিবহণ খাতের সমস্যা সমাধানে তার সহযোগিতা চাওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহাব রাশেদ, নির্বাহী প্রকৌশলী নূর-ই-ইলহাম, এবং শ্রমিক ও পরিবহণ সংগঠনের নেতারা। পরিবহণ শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও বিস্তৃত পরিসর দেয়।
বক্তব্যে সারোয়ার হোসেন মৃধা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে বিএনপির নেতৃত্বের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে তিনি দাবি করেন, সেই রাজনৈতিক ধারাই তাদের অনুপ্রেরণা। পাশাপাশি তারেক রহমানের সুস্থতা কামনাও করেন তিনি।
জবাবে তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার বলেন, মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়াই তার মূল লক্ষ্য। জেলা পরিষদকে একটি জনমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি পরিবহণ খাতকে স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অভিহিত করেন। তার মতে, এই খাতের উন্নয়ন হলে সরাসরি জনজীবনেও প্রভাব পড়বে।
তিনি আরও জানান, দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চান। সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া বাস্তব অগ্রগতি সম্ভব নয়—এমন একটি বাস্তববাদী অবস্থানই তার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ দিকে অংশগ্রহণকারীরা নরসিংদীর উন্নয়ন কার্যক্রমে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সংবর্ধনাটি মূলত একটি আনুষ্ঠানিকতা হলেও এর ভেতরে স্থানীয় রাজনীতি, প্রশাসন ও পরিবহণ খাতের পারস্পরিক নির্ভরতার একটি চিত্রও উঠে আসে।


































