ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কবরস্থানে’ পরিণত করার’ হুঁশিয়ারি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 3

ছবি সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রভাবশালী নেতা মোহসেন রেজাই; পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে নতুন করে চাপ বাড়ছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কথার লড়াই আবারও তীব্র হয়ে উঠছে। আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার এবং তেহরানের এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই এবার সরাসরি হুমকির সুরেই বলেছেন, প্রয়োজনে এই জলপথকে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘কবরস্থানে’ পরিণত করা হতে পারে।

তার ভাষা ছিল অস্বাভাবিক রকমের তীক্ষ্ণ—যা কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিতও বহন করতে পারে বলে মনে হচ্ছে।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘জলদস্যু’ আখ্যা দেন। তার দাবি, আধুনিক রণতরী থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র মূলত একই আচরণ করছে, আর সেই প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রতিক্রিয়াও সমান কঠোর হতে পারে।

তিনি বলেন, ইরানের সক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষামূলক নয়; প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক জবাব দেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।

গত মাসে একটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনাও টেনে আনেন রেজাই। যদিও সেই ঘটনার বিস্তারিত আন্তর্জাতিকভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, তবু তিনি এটিকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘প্রস্তুত থাকার’ বার্তা দেন। তার বক্তব্যে বোঝা যায়, প্রতিরোধের ভাষা এখানে প্রতীকী নয়—বরং বাস্তব সংঘাতের সম্ভাবনাকেও ইঙ্গিত করছে।

ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, যদি যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয় বা ইরানের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে হরমুজ প্রণালীই হয়ে উঠতে পারে একটি কৌশলগত ফাঁদ। এমন দাবি অবশ্য নতুন নয়; তবে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে তা আবার সামনে আসায় উদ্বেগ বাড়ছে।

এই উত্তেজনার পেছনে সাম্প্রতিক কিছু নীতিগত সিদ্ধান্তও ভূমিকা রাখছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধকে তেহরান বরাবরই আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে আসছে। ইরান এটিকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে বর্ণনা করে, আর সেই অবস্থান থেকেই পাল্টা কড়া বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কবরস্থানে’ পরিণত করার’ হুঁশিয়ারি

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রভাবশালী নেতা মোহসেন রেজাই; পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে নতুন করে চাপ বাড়ছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কথার লড়াই আবারও তীব্র হয়ে উঠছে। আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার এবং তেহরানের এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই এবার সরাসরি হুমকির সুরেই বলেছেন, প্রয়োজনে এই জলপথকে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘কবরস্থানে’ পরিণত করা হতে পারে।

তার ভাষা ছিল অস্বাভাবিক রকমের তীক্ষ্ণ—যা কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিতও বহন করতে পারে বলে মনে হচ্ছে।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘জলদস্যু’ আখ্যা দেন। তার দাবি, আধুনিক রণতরী থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র মূলত একই আচরণ করছে, আর সেই প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রতিক্রিয়াও সমান কঠোর হতে পারে।

তিনি বলেন, ইরানের সক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষামূলক নয়; প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক জবাব দেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।

গত মাসে একটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনাও টেনে আনেন রেজাই। যদিও সেই ঘটনার বিস্তারিত আন্তর্জাতিকভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, তবু তিনি এটিকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘প্রস্তুত থাকার’ বার্তা দেন। তার বক্তব্যে বোঝা যায়, প্রতিরোধের ভাষা এখানে প্রতীকী নয়—বরং বাস্তব সংঘাতের সম্ভাবনাকেও ইঙ্গিত করছে।

ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, যদি যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয় বা ইরানের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে হরমুজ প্রণালীই হয়ে উঠতে পারে একটি কৌশলগত ফাঁদ। এমন দাবি অবশ্য নতুন নয়; তবে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে তা আবার সামনে আসায় উদ্বেগ বাড়ছে।

এই উত্তেজনার পেছনে সাম্প্রতিক কিছু নীতিগত সিদ্ধান্তও ভূমিকা রাখছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধকে তেহরান বরাবরই আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে আসছে। ইরান এটিকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে বর্ণনা করে, আর সেই অবস্থান থেকেই পাল্টা কড়া বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা যায়।