ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহ বাড়ালেন ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 7

ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইসরায়েল এবং লেবাননের চলমান যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। মূলত শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে এবং সংঘাত এড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অঞ্চলটিতে কোনো ধরনের গোলাগুলি হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প। ফলে ওই অঞ্চলে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক বৈঠকে এই ঘোষণা দেন। মূলত শান্তি আলোচনা সফল করতে এই বাড়তি সময় নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, উভয় পক্ষই এই মেয়াদ বাড়াতে সম্মতি জানিয়েছে। বর্তমানে কোনো সংঘাত ছাড়াই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এছাড়া যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কোনো গুলি বিনিময় হবে না বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, বৈঠকটি ছিল খুবই চমৎকার। ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। হিজবুল্লাহ থেকে আত্মরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র লেবাননের সঙ্গে কাজ করবে। মূলত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সম্ভব। ফলে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কিছুটা হ্রাস পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অভিযানের পর লেবাননে অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। টানা ৪৫ দিনের অভিযানে প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। পরবর্তীতে গত ১৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। মূলত আগামী ২৭ এপ্রিল এই মেয়াদের শেষ দিন ছিল। তাই বিরতি শেষ হওয়ার আগেই মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা এলো।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে। মূলত সব পক্ষের আন্তরিকতা থাকলে এই যুদ্ধ থামানো সম্ভব। অবশেষে, এই সিদ্ধান্তের ফলে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো। তবে এই যুদ্ধবিরতি কতটুকু কার্যকর থাকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহ বাড়ালেন ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট ০২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েল এবং লেবাননের চলমান যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। মূলত শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে এবং সংঘাত এড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অঞ্চলটিতে কোনো ধরনের গোলাগুলি হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প। ফলে ওই অঞ্চলে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক বৈঠকে এই ঘোষণা দেন। মূলত শান্তি আলোচনা সফল করতে এই বাড়তি সময় নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, উভয় পক্ষই এই মেয়াদ বাড়াতে সম্মতি জানিয়েছে। বর্তমানে কোনো সংঘাত ছাড়াই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এছাড়া যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কোনো গুলি বিনিময় হবে না বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, বৈঠকটি ছিল খুবই চমৎকার। ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। হিজবুল্লাহ থেকে আত্মরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র লেবাননের সঙ্গে কাজ করবে। মূলত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সম্ভব। ফলে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কিছুটা হ্রাস পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অভিযানের পর লেবাননে অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। টানা ৪৫ দিনের অভিযানে প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। পরবর্তীতে গত ১৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। মূলত আগামী ২৭ এপ্রিল এই মেয়াদের শেষ দিন ছিল। তাই বিরতি শেষ হওয়ার আগেই মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা এলো।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে। মূলত সব পক্ষের আন্তরিকতা থাকলে এই যুদ্ধ থামানো সম্ভব। অবশেষে, এই সিদ্ধান্তের ফলে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো। তবে এই যুদ্ধবিরতি কতটুকু কার্যকর থাকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।