ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরো বন্ধের শঙ্কা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 5

কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত কমে যাওয়ায় রাঙামাটির কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র কার্যত সংকটের মুখে পড়েছে। উৎপাদন কমতে কমতে এখন একমাত্র ইউনিটে নেমে এসেছে, পরিস্থিতি চলতে থাকলে পুরো কেন্দ্রই বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে পানিস্বল্পতার কারণে চারটিই ইতোমধ্যে বন্ধ করতে হয়েছে।

বর্তমানে চালু থাকা একমাত্র ইউনিট থেকেও পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ বলছে, উৎপাদন নেমে এসেছে মাত্র ৪০ মেগাওয়াটে, যেখানে কেন্দ্রটির মোট সক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দ্রুত নামছে। গত সপ্তাহে কোনোভাবে দুটি ইউনিট চালু রাখা গেলেও পানি আরও কমে যাওয়ায় একের পর এক ইউনিট বন্ধ করতে হচ্ছে। পরিস্থিতি এভাবে চললে শিগগিরই পুরো উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হতে পারে।

কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, রুল কার্ভ অনুযায়ী হ্রদের পানির স্তর থাকার কথা ৮৩ দশমিক ৮০ ফুট মিন সি লেভেলে। কিন্তু বুধবার সকালে তা নেমে এসেছে ৭৭ দশমিক ৪৭ ফুটে। তিনি মনে করেন, বৃষ্টিপাত না হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম।

এদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডেও চাপ তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরো বন্ধের শঙ্কা

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত কমে যাওয়ায় রাঙামাটির কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র কার্যত সংকটের মুখে পড়েছে। উৎপাদন কমতে কমতে এখন একমাত্র ইউনিটে নেমে এসেছে, পরিস্থিতি চলতে থাকলে পুরো কেন্দ্রই বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে পানিস্বল্পতার কারণে চারটিই ইতোমধ্যে বন্ধ করতে হয়েছে।

বর্তমানে চালু থাকা একমাত্র ইউনিট থেকেও পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ বলছে, উৎপাদন নেমে এসেছে মাত্র ৪০ মেগাওয়াটে, যেখানে কেন্দ্রটির মোট সক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দ্রুত নামছে। গত সপ্তাহে কোনোভাবে দুটি ইউনিট চালু রাখা গেলেও পানি আরও কমে যাওয়ায় একের পর এক ইউনিট বন্ধ করতে হচ্ছে। পরিস্থিতি এভাবে চললে শিগগিরই পুরো উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হতে পারে।

কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, রুল কার্ভ অনুযায়ী হ্রদের পানির স্তর থাকার কথা ৮৩ দশমিক ৮০ ফুট মিন সি লেভেলে। কিন্তু বুধবার সকালে তা নেমে এসেছে ৭৭ দশমিক ৪৭ ফুটে। তিনি মনে করেন, বৃষ্টিপাত না হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম।

এদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডেও চাপ তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।