ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৩২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 80

জামায়াতের বৈশাখি শোভাযাত্রা

বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যকে ধারণ করে রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর ব্যানারে এই বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা উপাদান ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।

নতুন বছর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ বরণ করতে রাজধানীতে বিশেষ শোভাযাত্রা বের করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর ব্যানারে মঙ্গলবার সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমবেত হন। পরে সেখান থেকে একটি উৎসবমুখর শোভাযাত্রা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

এবারের শোভাযাত্রায় বাঙালির লোকজ ঐতিহ্যের এক ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা দেখা যায়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল গ্রামীণ জনপদের আদি নিশান হিসেবে পরিচিত পলো, ঢেঁকি, কুলা এবং খেওয়া জাল। ঐতিহ্যবাহী এসব সরঞ্জামের পাশাপাশি পুরো যাত্রায় শিল্পীদের কণ্ঠে জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গানের সুর নগরবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।

শোভাযাত্রার প্রাক্কালে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তারা বলেন, পশ্চিমা সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ জাতির স্বকীয়তাকে ধ্বংস করছে। বাঙালির প্রকৃত চেতনা ও হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের লালন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে তারা সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান।

জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও রাজধানীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এই বর্ণিল শোভাযাত্রায় অংশ নেন। উৎসবের এই দিনে নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রেখে নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে তারা সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

নিরাপত্তার খাতিরে শোভাযাত্রার পুরো পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিটি সমাপ্ত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা

সর্বশেষ আপডেট ০১:৩২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যকে ধারণ করে রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর ব্যানারে এই বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা উপাদান ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।

নতুন বছর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ বরণ করতে রাজধানীতে বিশেষ শোভাযাত্রা বের করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর ব্যানারে মঙ্গলবার সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমবেত হন। পরে সেখান থেকে একটি উৎসবমুখর শোভাযাত্রা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

এবারের শোভাযাত্রায় বাঙালির লোকজ ঐতিহ্যের এক ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা দেখা যায়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল গ্রামীণ জনপদের আদি নিশান হিসেবে পরিচিত পলো, ঢেঁকি, কুলা এবং খেওয়া জাল। ঐতিহ্যবাহী এসব সরঞ্জামের পাশাপাশি পুরো যাত্রায় শিল্পীদের কণ্ঠে জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গানের সুর নগরবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।

শোভাযাত্রার প্রাক্কালে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তারা বলেন, পশ্চিমা সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ জাতির স্বকীয়তাকে ধ্বংস করছে। বাঙালির প্রকৃত চেতনা ও হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের লালন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে তারা সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান।

জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও রাজধানীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এই বর্ণিল শোভাযাত্রায় অংশ নেন। উৎসবের এই দিনে নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রেখে নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে তারা সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

নিরাপত্তার খাতিরে শোভাযাত্রার পুরো পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিটি সমাপ্ত হয়।