ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাম পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 19

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ জনিত মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যা সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানায়, ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে মোট ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জনে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮০৫ জন। পাশাপাশি সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ হাজার ৯৩৫ জনে পৌঁছেছে, যা সংক্রমণের বিস্তার সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়।

এছাড়া হাম সন্দেহে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৮৫ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১৪ হাজার ১০৬ জন হাসপাতাল ছেড়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি হয়ে উঠেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হাম পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ জনিত মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যা সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানায়, ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে মোট ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জনে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮০৫ জন। পাশাপাশি সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ হাজার ৯৩৫ জনে পৌঁছেছে, যা সংক্রমণের বিস্তার সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়।

এছাড়া হাম সন্দেহে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৮৫ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১৪ হাজার ১০৬ জন হাসপাতাল ছেড়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি হয়ে উঠেছে।