ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কবে—জামায়াত আমিরের প্রশ্ন

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 64

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

গণমাধ্যমে বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি কিছু সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, তার বক্তব্যের মূল অর্থ পরিবর্তন করে কয়েকটি গণমাধ্যম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে খবর প্রকাশ করেছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে যে নীতিতে শেখ হাসিনার শাসন চলেছে, বিএনপিও নাকি এখন একই পথে এগোচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।

কিন্তু এই বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ তুলে ধরা হয়নি বলে অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। বরং ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে বলে তার দাবি।

এ ধরনের প্রকাশনাকে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ প্রবণতা থেকে গণমাধ্যম কবে বেরিয়ে আসবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কবে—জামায়াত আমিরের প্রশ্ন

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

গণমাধ্যমে বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি কিছু সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, তার বক্তব্যের মূল অর্থ পরিবর্তন করে কয়েকটি গণমাধ্যম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে খবর প্রকাশ করেছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে যে নীতিতে শেখ হাসিনার শাসন চলেছে, বিএনপিও নাকি এখন একই পথে এগোচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।

কিন্তু এই বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ তুলে ধরা হয়নি বলে অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। বরং ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে বলে তার দাবি।

এ ধরনের প্রকাশনাকে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ প্রবণতা থেকে গণমাধ্যম কবে বেরিয়ে আসবে।