ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজির চড়া দামে নাজেহাল ক্রেতা, ডিমের বাজারেও আগুন

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / 23

চড়া দামে নাজেহাল ক্রেতা

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাবে দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। সবজির চড়া দামের কারণে নিম্নবিত্ত মানুষ এখন ডিমের ওপর নির্ভর করছে। ফলে বাজারে ডিমের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এর দামও ডজনে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া ভোজ্যতেল ও চালের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস চরমে পৌঁছেছে।

রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দাম এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। শুক্রবার (৮ মে) সকালে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় যে, প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই ঊর্ধ্বমুখী। আসলে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বৃষ্টির কারণে সরবরাহে ঘাটতি হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বাজারে এখন আলু ও পেঁপে ছাড়া প্রায় সব সবজি ৮০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে সবজির চড়া দাম শুনে অনেক ক্রেতা ডিম কিনতে যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানেও স্বস্তি নেই। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১৫-২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ গত সপ্তাহেও এটি ১৩০ টাকায় পাওয়া যেত।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়লেও খুচরা বাজারে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতাদের দাবি অনুযায়ী, সরবরাহকারীরা লাভের অংশ কমিয়ে দেওয়ায় তারা তেল বিক্রি করতে পারছেন না। পরবর্তীতে পাড়া-মহল্লার অনেক দোকানেই এখন বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলছে না। অন্যদিকে বোরো মৌসুম শুরু হলেও চালের বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব নেই। বরং চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছে।

মাছ-মাংসের বাজারে গিয়েও হতাশ হচ্ছেন মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। প্রতি কেজি গরুর মাংস এখন ৮৫০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে চাষের মাছ ও পাঙাশের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে প্রোটিনের চাহিদা মেটানো এখন সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান বাজারে গিয়ে পকেট ডাকাতির মতো পরিস্থিতি অনুভব করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সবজির চড়া দামে নাজেহাল ক্রেতা, ডিমের বাজারেও আগুন

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাবে দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। সবজির চড়া দামের কারণে নিম্নবিত্ত মানুষ এখন ডিমের ওপর নির্ভর করছে। ফলে বাজারে ডিমের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এর দামও ডজনে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া ভোজ্যতেল ও চালের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস চরমে পৌঁছেছে।

রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দাম এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। শুক্রবার (৮ মে) সকালে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় যে, প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই ঊর্ধ্বমুখী। আসলে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বৃষ্টির কারণে সরবরাহে ঘাটতি হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বাজারে এখন আলু ও পেঁপে ছাড়া প্রায় সব সবজি ৮০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে সবজির চড়া দাম শুনে অনেক ক্রেতা ডিম কিনতে যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানেও স্বস্তি নেই। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১৫-২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ গত সপ্তাহেও এটি ১৩০ টাকায় পাওয়া যেত।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়লেও খুচরা বাজারে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতাদের দাবি অনুযায়ী, সরবরাহকারীরা লাভের অংশ কমিয়ে দেওয়ায় তারা তেল বিক্রি করতে পারছেন না। পরবর্তীতে পাড়া-মহল্লার অনেক দোকানেই এখন বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলছে না। অন্যদিকে বোরো মৌসুম শুরু হলেও চালের বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব নেই। বরং চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছে।

মাছ-মাংসের বাজারে গিয়েও হতাশ হচ্ছেন মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। প্রতি কেজি গরুর মাংস এখন ৮৫০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে চাষের মাছ ও পাঙাশের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে প্রোটিনের চাহিদা মেটানো এখন সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান বাজারে গিয়ে পকেট ডাকাতির মতো পরিস্থিতি অনুভব করছেন সাধারণ ক্রেতারা।