সংরক্ষিত নারী আসনে সাত নেত্রীকে সবুজ সংকেত জামায়াতের
- সর্বশেষ আপডেট ০২:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
- / 3
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন পূরণে নিজেদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মহিলা বিভাগের সাতজন শীর্ষ নেত্রীকে ইতোমধ্যে প্রস্তুতির জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। মূলত আগামী ২০ এপ্রিল নির্ধারিত সময়ের আগেই তারা মনোনয়ন ফরম জমা দেবেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতের এই পদক্ষেপ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
আগামী জাতীয় সংসদের নারী প্রতিনিধিদের নাম চূড়ান্ত করতে তোড়জোড় শুরু করেছে জামায়াত। গত ১৪ এপ্রিল কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকাসহ মোট সাতজনকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা এখন তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন। বর্তমানে জামায়াত তাদের দলীয় শরিকদের সাথেও আসন বণ্টন নিয়ে কথা বলছে।
চূড়ান্ত তালিকায় মারজিয়া বেগম, অ্যাডভোকেট সাবিকুন নাহার মুন্নি এবং সাজেদা সামাদের মতো অভিজ্ঞ নেত্রীদের নাম রয়েছে। মূলত জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এবার মোট ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। তবে জোটের সংহতি বজায় রাখতে জামায়াত তাদের কোটা থেকে কিছু আসন অন্য শরিকদের ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। বিশেষ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দুটি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে শরিক দলগুলোর মাঝেও এখন উৎসাহ বিরাজ করছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন যে মনোনয়ন ফরম ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে এসব ফরম জমা দেওয়া হবে। মূলত স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থীদের তালিকায় মহানগর ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেত্রীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে জামায়াত তাদের দলীয় নেতৃত্বের বাইরেও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সংরক্ষিত নারী আসন দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে।
জামায়াতের এই সাত নেত্রী সংসদে পৌঁছালে তারা নারী উন্নয়ন ও আইনি সংস্কারে বড় ভূমিকা রাখবেন বলে দলটির দাবি। এছাড়া জোটের অন্য শরিকদের বিষয়েও আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। মূলত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে চায় জামায়াত। ফলে এই মনোনয়ন প্রক্রিয়াকে তারা খুবই গুরুত্বের সাথে দেখছে। অবশেষে বলা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই জামায়াত তাদের সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছে।































