ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শরিফুলের ৬ উইকেট

ম্যাকাই টেস্টে প্রথম দিনেই ১৮ উইকেট

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 29

ম্যাকাই টেস্টে প্রথম দিনেই ১৮ উইকেট

বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাকাই টেস্টে চাপে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো এক ইনিংসে ৫ উইকেটের বেশি নেওয়ার পথে থাকা শরিফুল একাই তুলে নিয়েছেন স্বাগতিকদের ৬ উইকেট।

বাংলাদেশের মাত্র ৬৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া প্রথম দিন শেষে করেছে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান। ফলে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনেই ১৮ উইকেটের পতন ঘটেছে। গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ক্যামেরন গ্রিন ৫১ রানে এবং নাথান লায়ন ১০ রানে অপরাজিত আছেন।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে শুরু থেকেই ধস নামান বাংলাদেশের পেসাররা। তাসকিন আহমেদ প্রথমে ম্যাট রেনশকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর আক্রমণে এসে নিজের প্রথম ওভারেই ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে বোল্ড করেন শরিফুল। হেড করেন ২২ রান, আর লাবুশেন ফেরেন মাত্র ৪ রানে।

এরপর অস্ট্রেলিয়াকে সাময়িকভাবে বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন স্টিভেন স্মিথ। ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে তিনি গড়েন ৭৭ রানের জুটি। দলীয় ১১৮ রানে স্মিথকে এলবিডব্লিউ করে ফিরিয়ে দেন শরিফুল। ৪২ রান করে সাজঘরে ফেরেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

এরপরও থামেনি শরিফুলের দাপট। অস্ট্রেলিয়ার ৮ উইকেটের মধ্যে ৬টিই এসেছে তার হাত ধরে। বাকি দুটি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

এই ইনিংসের আগে টেস্টে শরিফুলের সেরা বোলিং ছিল ২৮ রানে ৩ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিজের সেই রেকর্ড অনেকটাই ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শরীফুলের দারুণ বোলিং
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শরীফুলের দারুণ বোলিং

এদিকে মাত্র ৬৪ রানে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও পেসারদের আগ্রাসী বোলিং বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরার আশা দেখাচ্ছে। বিশেষ করে শরিফুলের ছয় উইকেটের সুবাদে স্বাগতিকদের বড় লিড নেওয়ার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে।

মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। মাত্র ২২ বলেই ৫ উইকেট তুলে নিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন স্টার্ক। শেষ পর্যন্ত তিনি শিকার করেন ৬ উইকেট।

টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েই প্রথম বলে আঘাত হানেন স্টার্ক। তার বলের প্রান্ত ছুঁয়ে ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দেন সাদমান ইসলাম। গোল্ডেন ডাক নিয়ে ফেরেন বাঁহাতি ওপেনার।

পরের ওভারেই স্টার্কের শিকার হন তানজিদ হাসান তামিম। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় স্লিপে ওয়েবস্টারের হাতে। ডারউইন টেস্টে সেঞ্চুরি করা তানজিদ টানা দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হলেন।

এরপর বাংলাদেশকে আরও বিপদে ফেলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। লেগ স্টাম্পের দিকে বেরিয়ে যাওয়া বলে প্যাডে আঘাত লাগে। আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তবে আম্পায়ার্স কলের কারণে সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। গোল্ডেন ডাক নিয়েই ফিরতে হয় শান্তকে।

স্টার্কের তৃতীয় শিকার হন মুমিনুল হক। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে অযথা ব্যাট চালিয়ে গালিতে ক্যাচ দেন তিনি। ১৬ বলে ৯ রান করেন মুমিনুল।

এরপর লিটন দাসকে নিয়েও নাটক হয়। প্রথমে স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তিনি। তবে পরের বলেই লিটনকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ার রিভিউয়ে সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। লিটনের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৪ রান।

মাত্র ১২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে কিছুটা সামাল দেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু প্যাট কামিন্সের ভেতরে ঢোকা বলে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক দিয়ে বোল্ড হন মুশফিক। ৪২ বলে ৫ রান করেন তিনি।

লাঞ্চে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩৫ রান। বিরতির পর দ্রুত ফিরে যান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। কামিন্সের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৫১ বলে ১১ রান করে ফেরেন মিরাজ। এরপর হ্যাজলউডের বলে লায়নের হাতে ক্যাচ দেন হাসান মাহমুদ, করেন ১০ রান।

২৬ ওভার শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় মাত্র ৩৮। তখন আশঙ্কা তৈরি হয়, ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করা বাংলাদেশের সর্বনিম্ন ৪৩ রানের রেকর্ডও ভেঙে যেতে পারে।

শেষ পর্যন্ত সেই লজ্জা থেকে দলকে বাঁচান তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম। দশম উইকেটে দুজন যোগ করেন ২৫ রান। শরিফুল ২৬ বলে ১৪ রান করে স্টার্কের বলে কট বিহাইন্ড হলে ৩৪ ওভারে ৬৪ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। তাইজুল ২৬ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন।

স্টার্ক ৬ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি কামিন্স নেন ৩টি এবং হ্যাজলউড একটি উইকেট।

এদিন স্টার্ক গড়েছেন একাধিক রেকর্ড। মাত্র ২২ বলে ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে সবচেয়ে কম বলে ফাইফার নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ১৯তম পাঁচ উইকেটের ইনিংস।

এ ছাড়া ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় টেস্টের প্রথম বলেই উইকেট নিয়ে মাঠটির টেস্ট ইতিহাসের প্রথম উইকেটশিকারি হয়েছেন স্টার্ক। একই সঙ্গে এই মাঠে টেস্টের প্রথম বলেই আউট হওয়া প্রথম ব্যাটার হিসেবে রেকর্ডে নাম উঠেছে সাদমান ইসলামের।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শরিফুলের ৬ উইকেট

ম্যাকাই টেস্টে প্রথম দিনেই ১৮ উইকেট

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাকাই টেস্টে চাপে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো এক ইনিংসে ৫ উইকেটের বেশি নেওয়ার পথে থাকা শরিফুল একাই তুলে নিয়েছেন স্বাগতিকদের ৬ উইকেট।

বাংলাদেশের মাত্র ৬৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া প্রথম দিন শেষে করেছে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান। ফলে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনেই ১৮ উইকেটের পতন ঘটেছে। গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ক্যামেরন গ্রিন ৫১ রানে এবং নাথান লায়ন ১০ রানে অপরাজিত আছেন।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে শুরু থেকেই ধস নামান বাংলাদেশের পেসাররা। তাসকিন আহমেদ প্রথমে ম্যাট রেনশকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর আক্রমণে এসে নিজের প্রথম ওভারেই ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে বোল্ড করেন শরিফুল। হেড করেন ২২ রান, আর লাবুশেন ফেরেন মাত্র ৪ রানে।

এরপর অস্ট্রেলিয়াকে সাময়িকভাবে বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন স্টিভেন স্মিথ। ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে তিনি গড়েন ৭৭ রানের জুটি। দলীয় ১১৮ রানে স্মিথকে এলবিডব্লিউ করে ফিরিয়ে দেন শরিফুল। ৪২ রান করে সাজঘরে ফেরেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

এরপরও থামেনি শরিফুলের দাপট। অস্ট্রেলিয়ার ৮ উইকেটের মধ্যে ৬টিই এসেছে তার হাত ধরে। বাকি দুটি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

এই ইনিংসের আগে টেস্টে শরিফুলের সেরা বোলিং ছিল ২৮ রানে ৩ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিজের সেই রেকর্ড অনেকটাই ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শরীফুলের দারুণ বোলিং
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শরীফুলের দারুণ বোলিং

এদিকে মাত্র ৬৪ রানে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও পেসারদের আগ্রাসী বোলিং বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরার আশা দেখাচ্ছে। বিশেষ করে শরিফুলের ছয় উইকেটের সুবাদে স্বাগতিকদের বড় লিড নেওয়ার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে।

মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। মাত্র ২২ বলেই ৫ উইকেট তুলে নিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন স্টার্ক। শেষ পর্যন্ত তিনি শিকার করেন ৬ উইকেট।

টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েই প্রথম বলে আঘাত হানেন স্টার্ক। তার বলের প্রান্ত ছুঁয়ে ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দেন সাদমান ইসলাম। গোল্ডেন ডাক নিয়ে ফেরেন বাঁহাতি ওপেনার।

পরের ওভারেই স্টার্কের শিকার হন তানজিদ হাসান তামিম। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় স্লিপে ওয়েবস্টারের হাতে। ডারউইন টেস্টে সেঞ্চুরি করা তানজিদ টানা দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হলেন।

এরপর বাংলাদেশকে আরও বিপদে ফেলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। লেগ স্টাম্পের দিকে বেরিয়ে যাওয়া বলে প্যাডে আঘাত লাগে। আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তবে আম্পায়ার্স কলের কারণে সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। গোল্ডেন ডাক নিয়েই ফিরতে হয় শান্তকে।

স্টার্কের তৃতীয় শিকার হন মুমিনুল হক। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে অযথা ব্যাট চালিয়ে গালিতে ক্যাচ দেন তিনি। ১৬ বলে ৯ রান করেন মুমিনুল।

এরপর লিটন দাসকে নিয়েও নাটক হয়। প্রথমে স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তিনি। তবে পরের বলেই লিটনকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ার রিভিউয়ে সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। লিটনের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৪ রান।

মাত্র ১২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে কিছুটা সামাল দেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু প্যাট কামিন্সের ভেতরে ঢোকা বলে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক দিয়ে বোল্ড হন মুশফিক। ৪২ বলে ৫ রান করেন তিনি।

লাঞ্চে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩৫ রান। বিরতির পর দ্রুত ফিরে যান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। কামিন্সের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৫১ বলে ১১ রান করে ফেরেন মিরাজ। এরপর হ্যাজলউডের বলে লায়নের হাতে ক্যাচ দেন হাসান মাহমুদ, করেন ১০ রান।

২৬ ওভার শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় মাত্র ৩৮। তখন আশঙ্কা তৈরি হয়, ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করা বাংলাদেশের সর্বনিম্ন ৪৩ রানের রেকর্ডও ভেঙে যেতে পারে।

শেষ পর্যন্ত সেই লজ্জা থেকে দলকে বাঁচান তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম। দশম উইকেটে দুজন যোগ করেন ২৫ রান। শরিফুল ২৬ বলে ১৪ রান করে স্টার্কের বলে কট বিহাইন্ড হলে ৩৪ ওভারে ৬৪ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। তাইজুল ২৬ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন।

স্টার্ক ৬ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি কামিন্স নেন ৩টি এবং হ্যাজলউড একটি উইকেট।

এদিন স্টার্ক গড়েছেন একাধিক রেকর্ড। মাত্র ২২ বলে ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে সবচেয়ে কম বলে ফাইফার নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ১৯তম পাঁচ উইকেটের ইনিংস।

এ ছাড়া ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় টেস্টের প্রথম বলেই উইকেট নিয়ে মাঠটির টেস্ট ইতিহাসের প্রথম উইকেটশিকারি হয়েছেন স্টার্ক। একই সঙ্গে এই মাঠে টেস্টের প্রথম বলেই আউট হওয়া প্রথম ব্যাটার হিসেবে রেকর্ডে নাম উঠেছে সাদমান ইসলামের।