ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুখবর-প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 31

৪ শতাংশে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এডিবির

চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তাদের সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে প্রবৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের একটি ইতিবাচক ধারা তুলে ধরা হয়েছে।

এডিবির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এটি গত বছরের তুলনায় কিছুটা অগ্রগতি, যা অর্থনীতিতে ধীর কিন্তু ধারাবাহিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।

সংস্থাটি মনে করছে, ভোগব্যয় ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতিও স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে এলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও স্বাভাবিক হতে পারে, যা প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করবে।

মূল্যস্ফীতি এখনো তুলনামূলকভাবে উচ্চ পর্যায়ে থাকলেও আগামী বছরে তা কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এডিবির মতে, সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং বৈশ্বিক চাপ কিছুটা হ্রাস পেলে মূল্যস্তরে স্বস্তি ফিরতে পারে।

চলতি হিসাবের ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল থাকাকে ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। এটি বৈদেশিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এক ধরনের রূপান্তরকাল অতিক্রম করছে। তাঁর মতে, সঠিক নীতি ও সংস্কার অব্যাহত থাকলে অর্থনীতি আরও স্থিতিস্থাপক হয়ে উঠতে পারে এবং পুনরুদ্ধারের গতি বাড়বে।

কৃষি, সেবা ও শিল্প খাতে ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সহজীকরণের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিকে আরও সহায়তা করতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সুখবর-প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তাদের সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে প্রবৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের একটি ইতিবাচক ধারা তুলে ধরা হয়েছে।

এডিবির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এটি গত বছরের তুলনায় কিছুটা অগ্রগতি, যা অর্থনীতিতে ধীর কিন্তু ধারাবাহিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।

সংস্থাটি মনে করছে, ভোগব্যয় ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতিও স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে এলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও স্বাভাবিক হতে পারে, যা প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করবে।

মূল্যস্ফীতি এখনো তুলনামূলকভাবে উচ্চ পর্যায়ে থাকলেও আগামী বছরে তা কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এডিবির মতে, সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং বৈশ্বিক চাপ কিছুটা হ্রাস পেলে মূল্যস্তরে স্বস্তি ফিরতে পারে।

চলতি হিসাবের ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল থাকাকে ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। এটি বৈদেশিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এক ধরনের রূপান্তরকাল অতিক্রম করছে। তাঁর মতে, সঠিক নীতি ও সংস্কার অব্যাহত থাকলে অর্থনীতি আরও স্থিতিস্থাপক হয়ে উঠতে পারে এবং পুনরুদ্ধারের গতি বাড়বে।

কৃষি, সেবা ও শিল্প খাতে ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সহজীকরণের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিকে আরও সহায়তা করতে পারে।