ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • / 91

নেপালের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনার লক্ষ্যে আজ ৫ মার্চ দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাধারণ নির্বাচন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দুর্নীতিবিরোধী ছাত্র-জনতার তীব্র গণঅভ্যুত্থানের মুখে আগের সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই নির্বাচন পরিচালনা করছে, যার মূল লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এর মধ্যে প্রায় ১০ লাখ ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন।

সংসদের ২৭৫টি আসনের বিপরীতে ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে এক হাজারেরও বেশি প্রার্থীর বয়স ৪০ বছরের নিচে। তরুণ নেতৃত্বের প্রতি জনগণের এই আগ্রহ নেপালের চিরাচরিত রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নেপালের সংসদীয় কাঠামো অনুযায়ী, ২৭৫টি আসনের মধ্যে ১৬৫ জন নির্বাচিত হবেন সরাসরি ভোটে (ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট)। বাকি ১১০টি আসন বরাদ্দ হবে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হারের ভিত্তিতে (আনুপাতিক পদ্ধতি)। এই দ্বৈত পদ্ধতির কারণে কোনো একক দলের পক্ষে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। ফলে নির্বাচনের পর নেপালে একটি জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনা প্রবল।

এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া প্রার্থী হলেন ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ। কাঠমান্ডুর সাবেক এই মেয়র রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টির (আরএসপি) হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির বিরুদ্ধে ঝাপা-৫ আসনে লড়ছেন।

এছাড়া ঐতিহ্যবাহী দল নেপালি কংগ্রেসের নেতৃত্বে রয়েছেন চারবারের সংসদ সদস্য গগন থাপা। সাবেক মাওবাদী নেতা প্রচণ্ডর দল এবং অলির কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালও (ইউএমএল) শক্ত অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে কাঠমান্ডু উপত্যকার ১৫টি আসনের ফলাফলকে আগামীর রাজনীতির দিকনির্দেশক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নেপালে সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

সর্বশেষ আপডেট ১২:০০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নেপালের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনার লক্ষ্যে আজ ৫ মার্চ দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাধারণ নির্বাচন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দুর্নীতিবিরোধী ছাত্র-জনতার তীব্র গণঅভ্যুত্থানের মুখে আগের সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই নির্বাচন পরিচালনা করছে, যার মূল লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এর মধ্যে প্রায় ১০ লাখ ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন।

সংসদের ২৭৫টি আসনের বিপরীতে ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে এক হাজারেরও বেশি প্রার্থীর বয়স ৪০ বছরের নিচে। তরুণ নেতৃত্বের প্রতি জনগণের এই আগ্রহ নেপালের চিরাচরিত রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নেপালের সংসদীয় কাঠামো অনুযায়ী, ২৭৫টি আসনের মধ্যে ১৬৫ জন নির্বাচিত হবেন সরাসরি ভোটে (ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট)। বাকি ১১০টি আসন বরাদ্দ হবে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হারের ভিত্তিতে (আনুপাতিক পদ্ধতি)। এই দ্বৈত পদ্ধতির কারণে কোনো একক দলের পক্ষে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। ফলে নির্বাচনের পর নেপালে একটি জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনা প্রবল।

এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া প্রার্থী হলেন ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ। কাঠমান্ডুর সাবেক এই মেয়র রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টির (আরএসপি) হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির বিরুদ্ধে ঝাপা-৫ আসনে লড়ছেন।

এছাড়া ঐতিহ্যবাহী দল নেপালি কংগ্রেসের নেতৃত্বে রয়েছেন চারবারের সংসদ সদস্য গগন থাপা। সাবেক মাওবাদী নেতা প্রচণ্ডর দল এবং অলির কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালও (ইউএমএল) শক্ত অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে কাঠমান্ডু উপত্যকার ১৫টি আসনের ফলাফলকে আগামীর রাজনীতির দিকনির্দেশক হিসেবে দেখা হচ্ছে।