ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদীতে ফুল ভাসিয়ে বিজু উৎসব শুরু, পাহাড়ে শান্তি কামনা

প্রমোদ কুমার মুৎসুদ্দী, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি)
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 145

পার্বত্য অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিজু উপলক্ষে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাইনী নদীতে গঙ্গি মাকে ফুল অর্পণের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়েছে। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এ উৎসবকে ঘিরে ভোরের আলো ফোটার আগেই মাইনী নদীর তীরে জড়ো হন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ।

রোববার (১২ এপ্রিল) ভোর ৫টা থেকে হাতে নানা রঙের ফুল নিয়ে মাইনী নদীতে আসতে থাকেন তারা। পরে নদীর জলে ফুল ভাসিয়ে পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিম পারভেজ, ২ নম্বর কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান জ্ঞানও চাকমা।

স্থানীয়দের বিশ্বাস, ফুল ভাসানোর এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিগত বছরের সব দুঃখ-কষ্ট নদীর স্রোতে ভেসে যায় এবং নতুন বছর বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। এ সময় নদীর পাড়ে এক মনোরম ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বিজু উৎসবের এই প্রথা চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রতি বছরই আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়ে আসছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নদীতে ফুল ভাসিয়ে বিজু উৎসব শুরু, পাহাড়ে শান্তি কামনা

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিজু উপলক্ষে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাইনী নদীতে গঙ্গি মাকে ফুল অর্পণের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়েছে। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এ উৎসবকে ঘিরে ভোরের আলো ফোটার আগেই মাইনী নদীর তীরে জড়ো হন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ।

রোববার (১২ এপ্রিল) ভোর ৫টা থেকে হাতে নানা রঙের ফুল নিয়ে মাইনী নদীতে আসতে থাকেন তারা। পরে নদীর জলে ফুল ভাসিয়ে পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিম পারভেজ, ২ নম্বর কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান জ্ঞানও চাকমা।

স্থানীয়দের বিশ্বাস, ফুল ভাসানোর এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিগত বছরের সব দুঃখ-কষ্ট নদীর স্রোতে ভেসে যায় এবং নতুন বছর বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। এ সময় নদীর পাড়ে এক মনোরম ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বিজু উৎসবের এই প্রথা চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রতি বছরই আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়ে আসছে।