ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / 17

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামে বাংলাদেশ অভিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অভিবাসন ব্যয় কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। মূলত নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’ নিয়ে কাজ করছে। ফলে আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার আরও সুসংহত হবে।

জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অভিবাসন বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ ফোরামে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৮ মে) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অভিবাসীদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। সেখানে তিনি অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং অনিয়মিত অভিবাসন রোধে বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন।

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ‘মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স’ গঠন করেছে। আসলে ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জন্য একটি নতুন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান যে, বাংলাদেশের ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। পরবর্তীতে আরও নতুন ছয়টি অঙ্গীকার আন্তর্জাতিক মহলে জমা দেওয়া হয়েছে।

বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট অভিবাসন সংকটকে একটি বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানায় বাংলাদেশ। তবে শুধু অর্থায়ন নয় বরং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণও এখানে প্রয়োজন। নিরাপদ অভিবাসন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ‘হোল-অফ-গভর্নমেন্ট’ পদ্ধতিতে অভিবাসন খাত পরিচালনা করছে। ফলে অভিবাসীদের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়া এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। একইসঙ্গে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। দক্ষ কর্মী প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে চায় সরকার।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামে বাংলাদেশ অভিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অভিবাসন ব্যয় কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। মূলত নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’ নিয়ে কাজ করছে। ফলে আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার আরও সুসংহত হবে।

জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অভিবাসন বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ ফোরামে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৮ মে) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অভিবাসীদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। সেখানে তিনি অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং অনিয়মিত অভিবাসন রোধে বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন।

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ‘মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স’ গঠন করেছে। আসলে ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জন্য একটি নতুন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান যে, বাংলাদেশের ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। পরবর্তীতে আরও নতুন ছয়টি অঙ্গীকার আন্তর্জাতিক মহলে জমা দেওয়া হয়েছে।

বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট অভিবাসন সংকটকে একটি বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানায় বাংলাদেশ। তবে শুধু অর্থায়ন নয় বরং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণও এখানে প্রয়োজন। নিরাপদ অভিবাসন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ‘হোল-অফ-গভর্নমেন্ট’ পদ্ধতিতে অভিবাসন খাত পরিচালনা করছে। ফলে অভিবাসীদের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়া এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। একইসঙ্গে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। দক্ষ কর্মী প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে চায় সরকার।