ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জাতির উদ্দেশে ভাষণ

অতীতের ভুল পুনরাবৃত্তি না করে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 116

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান অতীতের ভুল-ত্রুটি স্বীকার করে দেশবাসীর কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, সেই শিক্ষা থেকে আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়া হবে। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটের আহ্বান জানিয়ে বলছেন, জনগণের সমর্থন সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার ভিত্তি হবে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের দায়িত্ব জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে যতটা কঠোর হওয়া সম্ভব, ততটাই আমরা কঠোর থাকব। দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, ইনশাল্লাহ। দেশবাসীর কাছে এটি আমার অঙ্গীকার, বিএনপির অঙ্গীকার।”

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের ভবিষ্যৎ সরকারের দায়িত্ব জনগণের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হবে। ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। জাতীয় নির্বাচনের আগে তিনি জনগণকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক শক্তির উৎস। তাই ক্ষমতায় গেলে সরকার তাদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে। ফ্যাসিবাদ আমলে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির তথাকথিত ডামি নির্বাচনের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “সেদিন আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম। বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে এবার আপনাদের ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তারেক রহমান জনগণকে আহ্বান জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে। তিনি বলেন, “আপনারা ধানের শীষে ভোট দেবেন এবং নির্বাচিত এমপিরা ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তাদের দায়িত্ব পালন করছে কিনা সেটি আমি নিশ্চিত করব, ইনশাল্লাহ।”

তিনি ক্ষমতায় গেলে সরকারের মূল নীতি হিসেবে মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করার অঙ্গীকার করেন। ন্যায় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে, যাতে দেশের মানুষ বিশ্বাস করতে পারে যে সরকার জনগণের জন্য কাজ করছে।

তারেক বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্ব শুধুমাত্র ভোট দিয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জনগণকে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, “আপনারা দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার অংশীদার। এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের যুবক-যুবতীরা, নারীরা, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী সবাই নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ পাবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতির উদ্দেশে ভাষণ

অতীতের ভুল পুনরাবৃত্তি না করে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান অতীতের ভুল-ত্রুটি স্বীকার করে দেশবাসীর কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, সেই শিক্ষা থেকে আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়া হবে। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটের আহ্বান জানিয়ে বলছেন, জনগণের সমর্থন সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার ভিত্তি হবে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের দায়িত্ব জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে যতটা কঠোর হওয়া সম্ভব, ততটাই আমরা কঠোর থাকব। দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, ইনশাল্লাহ। দেশবাসীর কাছে এটি আমার অঙ্গীকার, বিএনপির অঙ্গীকার।”

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের ভবিষ্যৎ সরকারের দায়িত্ব জনগণের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হবে। ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। জাতীয় নির্বাচনের আগে তিনি জনগণকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক শক্তির উৎস। তাই ক্ষমতায় গেলে সরকার তাদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে। ফ্যাসিবাদ আমলে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির তথাকথিত ডামি নির্বাচনের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “সেদিন আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম। বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে এবার আপনাদের ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তারেক রহমান জনগণকে আহ্বান জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে। তিনি বলেন, “আপনারা ধানের শীষে ভোট দেবেন এবং নির্বাচিত এমপিরা ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তাদের দায়িত্ব পালন করছে কিনা সেটি আমি নিশ্চিত করব, ইনশাল্লাহ।”

তিনি ক্ষমতায় গেলে সরকারের মূল নীতি হিসেবে মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করার অঙ্গীকার করেন। ন্যায় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে, যাতে দেশের মানুষ বিশ্বাস করতে পারে যে সরকার জনগণের জন্য কাজ করছে।

তারেক বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্ব শুধুমাত্র ভোট দিয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জনগণকে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, “আপনারা দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার অংশীদার। এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের যুবক-যুবতীরা, নারীরা, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী সবাই নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ পাবে।”