ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চায় পাকিস্তান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 119

পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার (১৯ মে) পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে ইরানে নিযুক্ত নতুন পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন স্মরণ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ জোর দেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে প্রতিবেশী দেশ ইরানের সাথে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে ইসলামাবাদ। তেহরানে নতুন কূটনীতিক পাঠানোর প্রাক্কালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই বিশেষ বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।

মূলত ইরানের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চায় পাকিস্তান— এই প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

এশিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান তার গঠনমূলক ভূমিকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। বর্তমানে ইরানের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চায় পাকিস্তান সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন রাষ্ট্রদূত দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ অবদান রাখবেন। পাকিস্তান বিশ্বাস করে, ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ই আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র পথ।

ইরান ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সাথেও সম্পর্ক গভীর করার তাগিদ দিয়েছে ইসলামাবাদ। বর্তমানে ইরানের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চায় পাকিস্তান বিষয়ক কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ইসলামাবাদে ইউএই-এর রাষ্ট্রদূতের সাথেও একটি বৈঠক করেন।

সেখানে তিনি আমিরাতে বসবাসরত পাকিস্তানি প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করার এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর অনুরোধ জানান। পরিশেষে বলা যায়, পাকিস্তানের এই বহুমুখী মধ্যপ্রাচ্য নীতি দেশটির অর্থনীতি ও কূটনীতিতে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চায় পাকিস্তান

সর্বশেষ আপডেট ০২:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার (১৯ মে) পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে ইরানে নিযুক্ত নতুন পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন স্মরণ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ জোর দেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে প্রতিবেশী দেশ ইরানের সাথে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে ইসলামাবাদ। তেহরানে নতুন কূটনীতিক পাঠানোর প্রাক্কালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই বিশেষ বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।

মূলত ইরানের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চায় পাকিস্তান— এই প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

এশিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান তার গঠনমূলক ভূমিকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। বর্তমানে ইরানের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চায় পাকিস্তান সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন রাষ্ট্রদূত দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ অবদান রাখবেন। পাকিস্তান বিশ্বাস করে, ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ই আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র পথ।

ইরান ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সাথেও সম্পর্ক গভীর করার তাগিদ দিয়েছে ইসলামাবাদ। বর্তমানে ইরানের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চায় পাকিস্তান বিষয়ক কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ইসলামাবাদে ইউএই-এর রাষ্ট্রদূতের সাথেও একটি বৈঠক করেন।

সেখানে তিনি আমিরাতে বসবাসরত পাকিস্তানি প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করার এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর অনুরোধ জানান। পরিশেষে বলা যায়, পাকিস্তানের এই বহুমুখী মধ্যপ্রাচ্য নীতি দেশটির অর্থনীতি ও কূটনীতিতে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।