ইউপি ভোটের তারিখ নিয়ে সরকার-ইসির সমন্বয়হীনতা
- সর্বশেষ আপডেট ১২:০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 13
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মধ্যে সমন্বয়হীনতার বিষয়টি সামনে এসেছে। ইসি জানিয়েছে, সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং প্রথম ধাপের ভোট আগামী ১২ নভেম্বর হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ভোটের তারিখ নিয়ে সরকার কিছুই জানে না।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইসির কোনো আলোচনা হয়নি। ভোটের তারিখ ঘোষণা সম্পর্কেও সরকার অবগত নয়।
অন্যদিকে, ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে পারে। মঙ্গলবার স্টার নিউজকে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে পারে।
পরবর্তী ধাপগুলোর মধ্যে চতুর্থ ধাপের সম্ভাব্য তারিখ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপের ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপের ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোট ২৭ মে হতে পারে বলে জানান তিনি।
ইসি জানিয়েছে, প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে কমিশনের ঘোষিত তারিখগুলোকে সম্ভাব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার পরই ভোটের চূড়ান্ত দিনক্ষণ জানা যাবে।
ইউনিয়ন পরিষদের পাশাপাশি পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন; এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন আয়োজনের কথা রয়েছে। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে ইউপি নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
এদিকে একই দিনে সরকারের পক্ষ থেকে ভোটের তারিখ সম্পর্কে কিছু না জানার কথা বলা এবং ইসির পক্ষ থেকে সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দুই পক্ষের সমন্বয়ের ঘাটতির বিষয়টি সামনে এসেছে।






























