ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইভীর হয়রানি মুক্তির আদেশ স্থগিতের আবেদন

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 24

নতুন মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার না দেখানোর আদেশ স্থগিত চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না করতে এবং কোনো রকম হয়রানি না করার জন্য হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তা স্থগিতের আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) আইভীর আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, গত বছর দেওভোগের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে আইভীর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া এবং জামিন স্থগিতের আইনি লড়াই চলছে।

নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়রের আইনি জটিলতা নিরসনে উচ্চ আদালতের দেওয়া স্বস্তিদায়ক আদেশের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার পক্ষ। সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়া নতুন করে কোনো মামলায় তাকে জড়ানোর ওপর হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মূলত আইভীর হয়রানি মুক্তির আদেশ স্থগিতের আবেদন আপিল বিভাগে জমা পড়ার পর এই আইনি লড়াই এখন নতুন মোড় নিয়েছে। এর ফলে সাবেক এই নারী মেয়রের কারামুক্তির বিষয়টি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

গত বছরের ৯ মে ভোররাতে দেওভোগের চুনকা কুটির থেকে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে আইভীর হয়রানি মুক্তির আদেশ স্থগিতের আবেদন সংক্রান্ত নথিতে দেখা যায়, প্রথমে পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলে তা স্থগিত হয়ে যায়।

পরবর্তীতে গত নভেম্বর মাসে আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১০টি মামলাতেই তার জামিন বহাল রাখেন।

পুরোনো মামলাগুলোতে জামিন পাওয়ার পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ২০২৪ ও ২০২৫ সালের দুটি হত্যা মামলায় আইভীকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য পুলিশ আবেদন করে। বর্তমানে আইভীর হয়রানি মুক্তির আদেশ স্থগিতের আবেদন করার মূল কারণ হলো, এই ‘শোন অ্যারেস্ট’ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আইভী রিট করলে হাইকোর্ট একে মৌলিক অধিকার পরিপন্থী বলে রুল দেন।

একই সাথে নতুন কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাকে হয়রানি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, যা এখন স্থগিত করতে চায় রাষ্ট্রপক্ষ। পরিশেষে বলা যায়, আপিল বিভাগের শুনানির পরেই নির্ধারিত হবে সাবেক এই মেয়রের পরবর্তী আইনি ভাগ্য।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আইভীর হয়রানি মুক্তির আদেশ স্থগিতের আবেদন

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না করতে এবং কোনো রকম হয়রানি না করার জন্য হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তা স্থগিতের আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) আইভীর আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, গত বছর দেওভোগের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে আইভীর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া এবং জামিন স্থগিতের আইনি লড়াই চলছে।

নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়রের আইনি জটিলতা নিরসনে উচ্চ আদালতের দেওয়া স্বস্তিদায়ক আদেশের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার পক্ষ। সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়া নতুন করে কোনো মামলায় তাকে জড়ানোর ওপর হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মূলত আইভীর হয়রানি মুক্তির আদেশ স্থগিতের আবেদন আপিল বিভাগে জমা পড়ার পর এই আইনি লড়াই এখন নতুন মোড় নিয়েছে। এর ফলে সাবেক এই নারী মেয়রের কারামুক্তির বিষয়টি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

গত বছরের ৯ মে ভোররাতে দেওভোগের চুনকা কুটির থেকে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে আইভীর হয়রানি মুক্তির আদেশ স্থগিতের আবেদন সংক্রান্ত নথিতে দেখা যায়, প্রথমে পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলে তা স্থগিত হয়ে যায়।

পরবর্তীতে গত নভেম্বর মাসে আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১০টি মামলাতেই তার জামিন বহাল রাখেন।

পুরোনো মামলাগুলোতে জামিন পাওয়ার পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ২০২৪ ও ২০২৫ সালের দুটি হত্যা মামলায় আইভীকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য পুলিশ আবেদন করে। বর্তমানে আইভীর হয়রানি মুক্তির আদেশ স্থগিতের আবেদন করার মূল কারণ হলো, এই ‘শোন অ্যারেস্ট’ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আইভী রিট করলে হাইকোর্ট একে মৌলিক অধিকার পরিপন্থী বলে রুল দেন।

একই সাথে নতুন কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাকে হয়রানি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, যা এখন স্থগিত করতে চায় রাষ্ট্রপক্ষ। পরিশেষে বলা যায়, আপিল বিভাগের শুনানির পরেই নির্ধারিত হবে সাবেক এই মেয়রের পরবর্তী আইনি ভাগ্য।