ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভিবাসীদের অধিকার নিশ্চিতে সচেতনতার তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 14

বাংলাদেশ এবং গন্তব্য দেশ—উভয় স্থানেই অভিবাসী কর্মীরা প্রতিনিয়ত নানাবিধ গুরুতর প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে প্রতারণা, শোষণ এবং আইনি ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হন।

মঙ্গলবার ( ১৯ মে) বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ)-এর আয়োজনে ঢাকার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে “অভিবাসন অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি” বিষয়ক সাংবাদিকদের সাথে এক ‘প্রেস ক্যাফে’ অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন ।

সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘স্ট্রেনদেনড অ্যান্ড ইনফর্মেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস) II’ প্রকল্পের অ্যাক্সেস টু জাস্টিস কার্যক্রমের আওতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ)-এর সম্মানিত সভাপতি অ্যাডভোকেট সীমা জহুর। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান। এতে সম্মানিত অতিথি ছিলেন হেলভেটাস বাংলাদেশ-এর সিমস প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রেমাংশু শেখর সরকার। এছাড়া, সিম্স প্রকল্পের উপর বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন বিএনডব্লিউএলএ-এর উক্ত প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার মো: হানিফ মাহমুদ।

উক্ত প্রেস ক্যাফেতে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত হয়ে তাদের মূল্যবান মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে অভিবাসন খাতে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রমাণ-ভিত্তিক ও নৈতিক সাংবাদিকতা এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন বিশিষ্ট অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক কুররাতুল-আইন-তাহমিনা।

বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেন যে, অভিবাসী শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা ও প্রতারণার চিত্র গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানমূলকভাবে উঠে এলে তা একদিকে যেমন জনসচেতনতা বাড়াবে, অন্যদিকে দায়িত্বশীল পক্ষগুলোকে কার্যকর সমাধান ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করবে। তথ্যসমৃদ্ধ, অনুসন্ধানী ও পেশাদার সাংবাদিকতা অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় এবং তাদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে বলে অনুষ্ঠানে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অভিবাসীদের অধিকার নিশ্চিতে সচেতনতার তাগিদ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

বাংলাদেশ এবং গন্তব্য দেশ—উভয় স্থানেই অভিবাসী কর্মীরা প্রতিনিয়ত নানাবিধ গুরুতর প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে প্রতারণা, শোষণ এবং আইনি ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হন।

মঙ্গলবার ( ১৯ মে) বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ)-এর আয়োজনে ঢাকার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে “অভিবাসন অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি” বিষয়ক সাংবাদিকদের সাথে এক ‘প্রেস ক্যাফে’ অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন ।

সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘স্ট্রেনদেনড অ্যান্ড ইনফর্মেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস) II’ প্রকল্পের অ্যাক্সেস টু জাস্টিস কার্যক্রমের আওতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ)-এর সম্মানিত সভাপতি অ্যাডভোকেট সীমা জহুর। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান। এতে সম্মানিত অতিথি ছিলেন হেলভেটাস বাংলাদেশ-এর সিমস প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রেমাংশু শেখর সরকার। এছাড়া, সিম্স প্রকল্পের উপর বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন বিএনডব্লিউএলএ-এর উক্ত প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার মো: হানিফ মাহমুদ।

উক্ত প্রেস ক্যাফেতে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত হয়ে তাদের মূল্যবান মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে অভিবাসন খাতে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রমাণ-ভিত্তিক ও নৈতিক সাংবাদিকতা এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন বিশিষ্ট অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক কুররাতুল-আইন-তাহমিনা।

বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেন যে, অভিবাসী শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা ও প্রতারণার চিত্র গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানমূলকভাবে উঠে এলে তা একদিকে যেমন জনসচেতনতা বাড়াবে, অন্যদিকে দায়িত্বশীল পক্ষগুলোকে কার্যকর সমাধান ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করবে। তথ্যসমৃদ্ধ, অনুসন্ধানী ও পেশাদার সাংবাদিকতা অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় এবং তাদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে বলে অনুষ্ঠানে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।