ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সিংহভাগ বাস্তবায়িত

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 22

মন্ত্রিসভার ৮ম বৈঠক

চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অনুষ্ঠিত ৭টি মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৮ম মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই প্রগতিশীল প্রতিবেদনটি পেশ করা হয়।

এই বিশেষ বৈঠকে জাপানের সাথে সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি অনুসমর্থন, সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষণে বৈশ্বিক জোট ‘আইবিসিএ’-তে যোগদান এবং নিরাপদ আন্তর্জাতিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে পাঁচ বছর মেয়াদী ‘জিসিএম-ন্যাপ’ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রশাসনের অধীনে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়িয়ে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকারের এই প্রশাসনিক গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে এক ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

মূলত সাত মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সিংহভাগ বাস্তবায়িত শিরোনামের এই অগ্রগতি প্রতিবেদনটি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক ফোরামে প্রকাশ করা হয়। পরিবেশ, প্রতিরক্ষা এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক উত্থাপিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক এজেন্ডা এই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সবুজ সংকেত পেয়েছে।

জাপান সরকারের সাথে বাংলাদেশের কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে ‘ট্রান্সফার অব ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি’ চুক্তিটি এই বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। বর্তমানে সাত মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সিংহভাগ বাস্তবায়িত হওয়ার আবহে সুন্দরবনের ইকোসিস্টেম রক্ষায় আরেকটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বাঘ, সিংহ ও চিতাসহ বিশ্বের প্রধান সাতটি বৃহৎ বিড়াল প্রজাতি বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে জাতিসংঘভুক্ত ২৪টি দেশের বৈশ্বিক জোট ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব পাস করেছে সরকার।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় আইওএম-এর (IOM) সহযোগিতায় প্রণীত ২০২৬–২০৩০ মেয়াদের বিশেষ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (GCM-NAP) অনুমোদন করেছে ক্যাবিনেট। বর্তমানে সাত মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সিংহভাগ বাস্তবায়িত হওয়ার এই মাহেন্দ্রক্ষণে মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে, নিরাপদ বৈশ্বিক অভিবাসন ধারণার অন্যতম প্রবর্তক হওয়ায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিকভাবে ‘জিসিএম চ্যাম্পিয়ন কান্ট্রি’র স্বীকৃতি পেয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে এই কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলো আগামী দিনে দূরদর্শী ভূমিকা পালন করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৭ মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সিংহভাগ বাস্তবায়িত

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অনুষ্ঠিত ৭টি মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৮ম মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই প্রগতিশীল প্রতিবেদনটি পেশ করা হয়।

এই বিশেষ বৈঠকে জাপানের সাথে সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি অনুসমর্থন, সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষণে বৈশ্বিক জোট ‘আইবিসিএ’-তে যোগদান এবং নিরাপদ আন্তর্জাতিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে পাঁচ বছর মেয়াদী ‘জিসিএম-ন্যাপ’ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রশাসনের অধীনে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়িয়ে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকারের এই প্রশাসনিক গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে এক ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

মূলত সাত মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সিংহভাগ বাস্তবায়িত শিরোনামের এই অগ্রগতি প্রতিবেদনটি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক ফোরামে প্রকাশ করা হয়। পরিবেশ, প্রতিরক্ষা এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক উত্থাপিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক এজেন্ডা এই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সবুজ সংকেত পেয়েছে।

জাপান সরকারের সাথে বাংলাদেশের কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে ‘ট্রান্সফার অব ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি’ চুক্তিটি এই বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। বর্তমানে সাত মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সিংহভাগ বাস্তবায়িত হওয়ার আবহে সুন্দরবনের ইকোসিস্টেম রক্ষায় আরেকটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বাঘ, সিংহ ও চিতাসহ বিশ্বের প্রধান সাতটি বৃহৎ বিড়াল প্রজাতি বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে জাতিসংঘভুক্ত ২৪টি দেশের বৈশ্বিক জোট ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব পাস করেছে সরকার।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় আইওএম-এর (IOM) সহযোগিতায় প্রণীত ২০২৬–২০৩০ মেয়াদের বিশেষ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (GCM-NAP) অনুমোদন করেছে ক্যাবিনেট। বর্তমানে সাত মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সিংহভাগ বাস্তবায়িত হওয়ার এই মাহেন্দ্রক্ষণে মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে, নিরাপদ বৈশ্বিক অভিবাসন ধারণার অন্যতম প্রবর্তক হওয়ায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিকভাবে ‘জিসিএম চ্যাম্পিয়ন কান্ট্রি’র স্বীকৃতি পেয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে এই কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলো আগামী দিনে দূরদর্শী ভূমিকা পালন করবে।