ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বৃদ্ধি: ক্লাসরুমমুখী করতে নতুন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 47

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে ববি হাজ্জাজের নতুন পরিকল্পনা

শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও বৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শুক্রবার রাজধানীর একটি স্কুল পরিদর্শন শেষে তিনি জানান যে বৃত্তির আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ভবিষ্যতে আরও বাড়ানো হবে। মূলত শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমমুখী করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এর ফলে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বড় ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেছেন ববি হাজ্জাজ। শুক্রবার রাজধানীর বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান যে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানের মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবারগুলোকে শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করা। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যারা পরীক্ষা দিতে পারেনি, তাদেরও বিশেষ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে নতুন গতি আসবে।

সরকার বর্তমানে বিদ্যমান আর্থিক প্রণোদনা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করার পরিকল্পনা করছে। ববি হাজ্জাজ বলেন যে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বা ইনসেনটিভের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে। কীভাবে এই সহায়তা সবচেয়ে ফলপ্রসূ করা যায়, সে বিষয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। মূলত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে আর্থিক নিশ্চয়তা দিয়ে হলেও তাদের ক্লাসরুমে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার। ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের পরিবারগুলো অনেক উপকৃত হবে।

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে পাঠাতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান যে এই লক্ষ্য অর্জনে অভিভাবক এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। বর্তমানে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নে গণমাধ্যমকর্মীদের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মূলত একটি অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। ফলে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রতিমন্ত্রীর মতে, প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়া রোধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি চান যে যত বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তির আওতায় আনা যায়। বর্তমানে ক্লাসরুমমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে মন্ত্রণালয়। মূলত প্রতিটি শিশুর মৌলিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। অবশেষে বলা যায়, এই নতুন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বৃদ্ধি: ক্লাসরুমমুখী করতে নতুন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও বৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শুক্রবার রাজধানীর একটি স্কুল পরিদর্শন শেষে তিনি জানান যে বৃত্তির আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ভবিষ্যতে আরও বাড়ানো হবে। মূলত শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমমুখী করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এর ফলে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বড় ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেছেন ববি হাজ্জাজ। শুক্রবার রাজধানীর বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান যে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানের মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবারগুলোকে শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করা। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যারা পরীক্ষা দিতে পারেনি, তাদেরও বিশেষ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে নতুন গতি আসবে।

সরকার বর্তমানে বিদ্যমান আর্থিক প্রণোদনা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করার পরিকল্পনা করছে। ববি হাজ্জাজ বলেন যে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বা ইনসেনটিভের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে। কীভাবে এই সহায়তা সবচেয়ে ফলপ্রসূ করা যায়, সে বিষয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। মূলত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে আর্থিক নিশ্চয়তা দিয়ে হলেও তাদের ক্লাসরুমে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার। ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের পরিবারগুলো অনেক উপকৃত হবে।

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে পাঠাতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান যে এই লক্ষ্য অর্জনে অভিভাবক এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। বর্তমানে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নে গণমাধ্যমকর্মীদের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মূলত একটি অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। ফলে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রতিমন্ত্রীর মতে, প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়া রোধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি চান যে যত বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তির আওতায় আনা যায়। বর্তমানে ক্লাসরুমমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে মন্ত্রণালয়। মূলত প্রতিটি শিশুর মৌলিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। অবশেষে বলা যায়, এই নতুন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে।